ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ফুটপাতে ব্যবসা বন্ধ: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থা করবে ডিএনসিসি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত রাখার লক্ষ্যে সেখানে আর কোনো ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। তবে, ক্ষুদ্র ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবসার সুব্যবস্থা করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১ পর্যন্ত সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে ভাসমান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, “আমরা বিকল্প স্থানে ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেব। ফুটপাতে বা রাস্তায় আর ব্যবসা করা যাবে না—এটাকে মাথায় রেখে আপনাদের কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পূর্বে যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ফুটপাতে ব্যবসা করতে সহযোগিতা করতো, তারা আর সেই সুযোগ পাবে না। ব্যবসায়ীদের সমস্যা রয়েছে এবং সেগুলো সমাধানের জন্য সিটি কর্পোরেশন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে। তিনি বলেন, “মানবিক কারণে আমরা আপনাদের সাথে কথা বলতে এসেছি। চাইলে আমরা ফোর্স নিয়ে উচ্ছেদ করতে পারতাম, কিন্তু তা করিনি। আমরা চাই আমাদের এলাকার মানুষ ব্যবসা করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করুক।”

সভায় হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। তারা পুনর্বাসনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, পর্যাপ্ত সময় প্রদান এবং এমন স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান, যেখানে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বহু বছর ধরে তারা ফুটপাতে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। হঠাৎ উচ্ছেদ করা হলে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে সংকটে পড়তে হবে। তারা পুনর্বাসনের আগে নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার দাবি জানান।

এ সময় প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি কার্যকর সমাধান বের করা হবে এবং এ বিষয়ে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, “আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে ব্যবসায়ীদের একটি টোকেন প্রদান করবো, যাতে কোনো চাঁদাবাজ আপনাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করতে না পারে। টোকেন দেওয়ার পর কেউ চাঁদা চাইলে আপনারা দেবেন না, আমাদের জানাবেন—আমরা আপনাদের পাশে আছি।” মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান, ডিএমপি মিরপুর জোনের ডিসি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরের গুরুদাসপুরে কলেজে কাফনের কাপড় পার্সেল, শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক

ফুটপাতে ব্যবসা বন্ধ: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থা করবে ডিএনসিসি

আপডেট সময় : ০৮:২৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত রাখার লক্ষ্যে সেখানে আর কোনো ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। তবে, ক্ষুদ্র ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবসার সুব্যবস্থা করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১ পর্যন্ত সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে ভাসমান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, “আমরা বিকল্প স্থানে ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেব। ফুটপাতে বা রাস্তায় আর ব্যবসা করা যাবে না—এটাকে মাথায় রেখে আপনাদের কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পূর্বে যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ফুটপাতে ব্যবসা করতে সহযোগিতা করতো, তারা আর সেই সুযোগ পাবে না। ব্যবসায়ীদের সমস্যা রয়েছে এবং সেগুলো সমাধানের জন্য সিটি কর্পোরেশন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে। তিনি বলেন, “মানবিক কারণে আমরা আপনাদের সাথে কথা বলতে এসেছি। চাইলে আমরা ফোর্স নিয়ে উচ্ছেদ করতে পারতাম, কিন্তু তা করিনি। আমরা চাই আমাদের এলাকার মানুষ ব্যবসা করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করুক।”

সভায় হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। তারা পুনর্বাসনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, পর্যাপ্ত সময় প্রদান এবং এমন স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান, যেখানে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বহু বছর ধরে তারা ফুটপাতে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। হঠাৎ উচ্ছেদ করা হলে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে সংকটে পড়তে হবে। তারা পুনর্বাসনের আগে নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার দাবি জানান।

এ সময় প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি কার্যকর সমাধান বের করা হবে এবং এ বিষয়ে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, “আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে ব্যবসায়ীদের একটি টোকেন প্রদান করবো, যাতে কোনো চাঁদাবাজ আপনাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করতে না পারে। টোকেন দেওয়ার পর কেউ চাঁদা চাইলে আপনারা দেবেন না, আমাদের জানাবেন—আমরা আপনাদের পাশে আছি।” মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান, ডিএমপি মিরপুর জোনের ডিসি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।