আজ ১১ জুন, ২০২৬। চার বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্ব ফুটবলের মহোৎসব ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬-এর পর্দা উঠতে চলেছে মেক্সিকোর কিংবদন্তি অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে। এই আয়োজন শুধু একটি তারিখ নয়, কোটি কোটি মানুষের আবেগ, স্বপ্ন আর এক অভূতপূর্ব বৈশ্বিক উৎসবের সূচনা। ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি ধর্ম, ভাষা, বর্ণ বা ভৌগোলিক দূরত্বকে ছাপিয়ে মানুষকে একসূত্রে গাঁথার এক অসাধারণ মাধ্যম। বিশ্বকাপের সময় পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে যেন একটাই ভাষা, একটাই অনুভূতি।
চা-দোকান থেকে শুরু করে কর্পোরেট অফিস, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে গ্রামের বাজার— সর্বত্রই এখন ফুটবল নিয়ে আলোচনা। কে হবেন চ্যাম্পিয়ন—মেসির আর্জেন্টিনা, এমবাপ্পের ফ্রান্স, নাকি ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে থাকা ব্রাজিল? কিংবা নতুন কোনো দল কি ইতিহাস লিখবে? এবারের বিশ্বকাপ তাই অনেক কারণেই ব্যতিক্রমী। ফিফার ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—যৌথভাবে আয়োজন করছে এই টুর্নামেন্ট। ১৭ শহরে অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৩২ দলের পরিবর্তে অংশ নিচ্ছে ৪৮ দেশ, যা এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপে পরিণত করেছে। নতুন ফরম্যাটে ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে দলগুলো লড়বে, যেখানে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
তবে, মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই বিশ্বকাপ ঘিরে বিতর্কের ছায়া পড়েছে। আয়োজক দেশগুলোর অভিবাসন নীতি এবং ভিসা সংক্রান্ত কঠোরতা নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতান বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেননি এবং তাকে ১১ ঘণ্টা আটকে রাখার পর ফিরতি বিমানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। একজন আন্তর্জাতিক রেফারির সঙ্গে এমন আচরণ বিশ্বকাপের আয়োজনে এক নতুন অস্বস্তির জন্ম দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















