ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সপ্তম দিনে ৭১ বিধিতে (পয়েন্ট অফ অর্ডার) দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এর প্রতিক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতার ব্যবহৃত ‘মিথ্যা’ শব্দটিকে অসংসদীয় অভিহিত করে তা কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবারের সংসদ অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্বে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমের সামনে এই পাল্টাপাল্টি বাক্যবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। পয়েন্ট অফ অর্ডারে দাঁড়িয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা কালকে চলে যাওয়ার পরে আমাকে ভালোবেসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটা কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে, আমি একটি অসত্য কথা এখানে বলে গেছি। আমি এটা জানতে পারলাম। আসলে আল্লাহ তা’আলা তাকে অপূর্ব দক্ষতা দিয়েছেন। জাস্ট বোতল পরিবর্তন করে মেটেরিয়াল ঠিক রেখে তিনি সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্যই আমি আজ দাঁড়িয়েছি।’
স্পিকার বিষয়টি গতকালের এবং নতুন করে তোলার প্রয়োজন নেই বলে উল্লেখ করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ পাল্টা যুক্তি দেন। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিরোধীদলীয় নেতা দুটি অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন। সেটা হচ্ছে মিথ্যা। এটা অসত্য বললে আমি আপত্তি করতাম না। আমি অনুরোধ করবো, এটি এক্সপাঞ্জ করা হোক।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গতকালের প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা দিয়ে আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, তার কালকের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম বিরোধীদলীয় নেতা এখানে একটা অসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। রুল ৬২ অনুসারে বিরোধীদলীয় নেতাদের ওয়াকআউট করার অনেক পরে একজন বেসরকারি সদস্যের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল। সেটি আগে পঠিত বা উত্থাপিত হওয়া অসম্ভব। তাই আমি বলেছিলাম উনার গতকালের বক্তব্য অসত্য ছিল।’
জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বিভ্রান্তিটা এখানে। একই প্রস্তাব একজন স্বতন্ত্র সদস্য এনেছিলেন, যা গতকাল ভিন্ন নামে এসেছে। বিষয়বস্তু একই ছিল কিন্তু শুধু নাম বদলে গেছে। আমি আগেরটি জানতাম বলেই বলেছি, এখানে কোনও ভুল তথ্য দেইনি।’
রিপোর্টারের নাম 





















