নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা আলীরাজ দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এবার এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। সম্প্রতি ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাক্ষস’ সিনেমায় তার শক্তিশালী অভিনয় দর্শকদের মধ্যে নতুন করে সাড়া ফেলেছে। এই সিনেমাটিকে তিনি তার অভিনয় জীবনের এক নতুন সূচনা হিসেবে দেখছেন।
আলীরাজ মনে করেন, সিনেমার ধরন সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আগের সিনেমার ধরন এক ছিল কিন্তু এখনকার ধরন অন্যরকম। আগের থেকে এখন পরিচালকরা অনেকটা ভালো গল্পের সিনেমা বানাচ্ছেন। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা যেসব সিনেমা বানাচ্ছেন, তা এক কথায় অসাধারণ।’
অভিজ্ঞ শিল্পীদের প্রতি অবহেলা প্রসঙ্গে আলীরাজ বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক সময় অভিজ্ঞ শিল্পীদের গুরুত্ব কম দেওয়া হয়। আমি সিনিয়র হলেও এখনো কাজ করে যাচ্ছি। বলতে গেলে, ঈদে ‘রাক্ষস’ সিনেমায় অভিনয় করে মনে হয়েছে আবার অভিনয় জীবন শুরু করলাম।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সিয়াম, সুস্মিতা, আমি, আমরা সমবয়সি। বয়সটা আসলে সংখ্যা। তবে বয়স যত বাড়ছে, অভিজ্ঞতা তত বাড়ছে।’
নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়ের কাজের প্রশংসা করে আলীরাজ জানান, ‘বরবাদ’র পর ‘রাক্ষস’ আরো ভালো হয়েছে এবং সামনে আসছে ‘বিদায়’, যা আরও উন্নত হবে বলে তার বিশ্বাস। এমন নির্মাতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের জন্য বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শতাধিক ছবিতে অভিনয় করা আলীরাজ তার অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশনে সেলিম আল দীনের লেখা ও নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নির্দেশনায় ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’ নাটকের মাধ্যমে। সে সময়ে তিনি ডব্লিউ আনোয়ার নামে পরিচিত ছিলেন। এরপর নায়করাজ রাজ্জাকের হাত ধরে ১৯৮৪ সালে ‘সৎভাই’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। তার আলীরাজ নামটি অভিনেতা রাজ্জাকেরই দেওয়া।
রিপোর্টারের নাম 

























