প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেলোয়াড়দের প্রতি এক বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছেন এবং তাদের পেশাদারী জীবনে শুধুমাত্র ক্রীড়া নৈপুণ্যের মাধ্যমে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার উপর জোর দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, দেশ ও বিদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে আরও উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হতে পারে।
রবিবার সকালে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেম, ঐকান্তিক ইচ্ছা আর টিম স্পিরিট থাকলে আপনাদের সাফল্যজনক অগ্রযাত্রায় কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।’ বর্তমান সময়ে খেলাধুলাকে কেবল শখ বা বিনোদন হিসেবে নয়, বরং একটি স্বীকৃত পেশা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশও এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবে না।
প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিএনপি সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্রীড়াকে একটি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে আমরা দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেছিলাম। আমরা বলেছিলাম, জনরায়ে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। জনগণের কাছে দেয়া সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে আজ থেকেই শুরু হলো।’
খেলাধুলায় পরাজয়কে হেরে যাওয়া নয়, বরং জয়েরই একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আলবার্ট আইনস্টাইনের একটি উক্তি স্মরণ করেন: ‘যে মানুষটি কখনো পরাজিত হয়নি সে কখনো কিছু করেইনি।’ তিনি আরও জানান যে, সরকার খেলোয়াড়দের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে খেলোয়াড়রা তাদের পছন্দের খেলাকে নিশ্চিন্তে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পাবেন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
রিপোর্টারের নাম 
























