কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, মাদক চোরাচালান ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। ক্যাম্পগুলোতে সক্রিয় অন্তত ছয়টি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও নিয়মিত গোলাগুলিতে সাধারণ রোহিঙ্গারা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সেখানে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সংস্থার কর্মীরাও।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এবং মাদক ও অপহরণ বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে এই সশস্ত্র গ্রুপগুলো নিয়মিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। গত বুধবার উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদ কামাল নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত কামাল স্থানীয় এক সশস্ত্র নেতার ভাই ছিলেন। এর মাত্র একদিন আগে অন্য এক সশস্ত্র হামলায় কেফায়েত উল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গা নেতা নিহত হন, যিনি এক সময় আরসার গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পুরনো সহযোগীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় নতুন নতুন সশস্ত্র উপদল তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে আসা মাদক ও অস্ত্রের চালান নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে এই গোষ্ঠীগুলো একে অপরের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকলেও ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে এই অপরাধীদের নির্মূল করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























