ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

টিআইএন থাকলেও রিটার্ন জমা দেননি ৭৮ লাখ মানুষ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি এনবিআরের

বাংলাদেশে নাগরিক জীবনের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সেবার জন্য কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হলেও, একটি বড় অংশ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে অনীহা দেখাচ্ছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, দেশে টিআইএনধারী ব্যক্তির সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেলেও চলতি করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করেছেন মাত্র সাড়ে ৪২ লাখ মানুষ। অর্থাৎ প্রায় ৭৮ লাখ টিআইএনধারী এখনো আইনের বাইরে রয়ে গেছেন।

বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি চাকরি, জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়, গাড়ির নিবন্ধন এবং ব্যাংক ঋণের মতো প্রায় ৪০টি জরুরি সেবার ক্ষেত্রে টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে নিরুপায় হয়ে অনেকেই টিআইএন গ্রহণ করছেন। তবে করযোগ্য আয় থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন না দেওয়ার ফলে এই বিশাল জনগোষ্ঠী এখন জরিমানা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা বন্ধ হওয়ার মতো আইনি ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। কর কর্মকর্তারা মনে করছেন, করজাল সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় অন্তরায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিআইএন নেওয়ার হার বাড়লেও রিটার্ন জমা দেওয়ার সচেতনতা বা সংস্কৃতি এখনো শক্তিশালী হয়নি। অনেকে মনে করেন, টিআইএন নিলেই কেবল দায়িত্ব শেষ, কিন্তু প্রতি বছর রিটার্ন জমা দেওয়া যে আইনি বাধ্যবাধকতা, সেটি অনেকেই এড়িয়ে যাচ্ছেন। এনবিআর এখন এই অনিয়মিত করদাতাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে, যার ফলে কর ফাঁকিবাজদের জন্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ, সরকারকেও প্রশ্ন অলি আহমদের

টিআইএন থাকলেও রিটার্ন জমা দেননি ৭৮ লাখ মানুষ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি এনবিআরের

আপডেট সময় : ০৯:২১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

বাংলাদেশে নাগরিক জীবনের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সেবার জন্য কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হলেও, একটি বড় অংশ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে অনীহা দেখাচ্ছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, দেশে টিআইএনধারী ব্যক্তির সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেলেও চলতি করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করেছেন মাত্র সাড়ে ৪২ লাখ মানুষ। অর্থাৎ প্রায় ৭৮ লাখ টিআইএনধারী এখনো আইনের বাইরে রয়ে গেছেন।

বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি চাকরি, জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়, গাড়ির নিবন্ধন এবং ব্যাংক ঋণের মতো প্রায় ৪০টি জরুরি সেবার ক্ষেত্রে টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে নিরুপায় হয়ে অনেকেই টিআইএন গ্রহণ করছেন। তবে করযোগ্য আয় থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন না দেওয়ার ফলে এই বিশাল জনগোষ্ঠী এখন জরিমানা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা বন্ধ হওয়ার মতো আইনি ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। কর কর্মকর্তারা মনে করছেন, করজাল সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় অন্তরায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিআইএন নেওয়ার হার বাড়লেও রিটার্ন জমা দেওয়ার সচেতনতা বা সংস্কৃতি এখনো শক্তিশালী হয়নি। অনেকে মনে করেন, টিআইএন নিলেই কেবল দায়িত্ব শেষ, কিন্তু প্রতি বছর রিটার্ন জমা দেওয়া যে আইনি বাধ্যবাধকতা, সেটি অনেকেই এড়িয়ে যাচ্ছেন। এনবিআর এখন এই অনিয়মিত করদাতাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে, যার ফলে কর ফাঁকিবাজদের জন্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে।