ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

সাবেক উপদেষ্টার এপিএস মোয়াজ্জেমের দেশত্যাগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

যুব, ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এসআই মো. আব্দুল হান্নান আদালতে এই নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মোয়াজ্জেম হোসেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তদবির বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই অর্থ তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

তদন্তকারী সংস্থা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, অভিযুক্ত মোয়াজ্জেম হোসেন যেকোনো সময় দেশত্যাগ করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার বিদেশ গমণে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। এর আগে গত বছরের ২৪ মে একই আদালত দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মোয়াজ্জেম হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। তবে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যেতে তিনি গত ২০ জানুয়ারি আদালতে আবেদন করেছিলেন, যা আদালত মঞ্জুর করেননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ, সরকারকেও প্রশ্ন অলি আহমদের

সাবেক উপদেষ্টার এপিএস মোয়াজ্জেমের দেশত্যাগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০২:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

যুব, ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এসআই মো. আব্দুল হান্নান আদালতে এই নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মোয়াজ্জেম হোসেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তদবির বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই অর্থ তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

তদন্তকারী সংস্থা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, অভিযুক্ত মোয়াজ্জেম হোসেন যেকোনো সময় দেশত্যাগ করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার বিদেশ গমণে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। এর আগে গত বছরের ২৪ মে একই আদালত দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মোয়াজ্জেম হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। তবে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যেতে তিনি গত ২০ জানুয়ারি আদালতে আবেদন করেছিলেন, যা আদালত মঞ্জুর করেননি।