সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এখনই সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলার সময় এসেছে। নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ভয়াবহ অপরাধ থেকে বাঁচতে হলে সকলকে একসাথে রুখে দাঁড়াতে হবে। এখনই এই বিষয়ে আমাদের নজর দেওয়ার প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা, পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অর্জন। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বে আত্মপ্রকাশের আজ ৫৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা এখন সামনের দিকে তাকাতে চাই এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে সকল শিশু ও নারী নিরাপদে থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন আরও বলেন, শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে, মেয়ে শিশুদের কোনটা ‘গুড টাচ’ আর কোনটা ‘ব্যাড টাচ’ সে সম্পর্কে তাদের সচেতন করে তোলা প্রয়োজন। এ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর ওপর তিনি জোর দেন। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে আমাদের সন্তানদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাই।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি লেখাপড়া, শরীর চর্চা, খেলাধুলা, বই পড়া, ছবি আঁকা এবং আদব-কায়দা শেখার মাধ্যমে নিজেদের শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তবেই দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, স্বাধীনতার মূলনীতি ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। এই তিনটির কোনোটিই পূর্ণাঙ্গভাবে অর্জিত হয়নি, বরং নানা ধরনের অন্যায়-অবিচার সংঘটিত হয়েছে। তবে, এতকিছুর পরও তিনি হতাশ হতে রাজি নন। তিনি মনে করেন, একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত বিজয় অর্জন সম্ভব, যদি সাধারণ জনগণ আরও বেশি সচেতন ও সংঘটিত হতে পারে।
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন আহ্বান জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























