ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

মহান স্বাধীনতা দিবস: গণতান্ত্রিক পরিবেশে উদযাপিত ৫৬তম জাতীয় উৎসব

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আজ ২৬ মার্চ, ৫৬তম মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শুরু হওয়া বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় এসেছিল একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর। এই গৌরবময় দিনে জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে। এবার ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশে এই জাতীয় দিবসটি পালিত হচ্ছে, যা মানুষের স্বাধীনভাবে উৎসব পালনের সুযোগ করে দিয়েছে। সরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও দিবসটি উদযাপনে অংশ নিচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর ধরে দেশের শাসনব্যবস্থায় যে অস্বচ্ছতা ও একতরফা নির্বাচন বিরাজ করছিল, তার অবসান ঘটেছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি এবং শেখ মুজিব ও হাসিনার বন্দনা প্রাধান্য পেত। স্বাধীনতা যুদ্ধের অগ্রভাগের সৈনিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানকে খাটো করা এবং তাঁর খেতাব ‘বীর উত্তম’ কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা দেশ ছাড়তে বাধ্য হন এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এক অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়। এর ফলে দেশবাসী দেড় যুগ পর সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশে স্বাধীনতা দিবস পালন করতে পারছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থনৈতিক সংকটে ইরান: উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে খাদ্য ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ

মহান স্বাধীনতা দিবস: গণতান্ত্রিক পরিবেশে উদযাপিত ৫৬তম জাতীয় উৎসব

আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

আজ ২৬ মার্চ, ৫৬তম মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শুরু হওয়া বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় এসেছিল একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর। এই গৌরবময় দিনে জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে। এবার ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশে এই জাতীয় দিবসটি পালিত হচ্ছে, যা মানুষের স্বাধীনভাবে উৎসব পালনের সুযোগ করে দিয়েছে। সরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও দিবসটি উদযাপনে অংশ নিচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর ধরে দেশের শাসনব্যবস্থায় যে অস্বচ্ছতা ও একতরফা নির্বাচন বিরাজ করছিল, তার অবসান ঘটেছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি এবং শেখ মুজিব ও হাসিনার বন্দনা প্রাধান্য পেত। স্বাধীনতা যুদ্ধের অগ্রভাগের সৈনিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানকে খাটো করা এবং তাঁর খেতাব ‘বীর উত্তম’ কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা দেশ ছাড়তে বাধ্য হন এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এক অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়। এর ফলে দেশবাসী দেড় যুগ পর সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশে স্বাধীনতা দিবস পালন করতে পারছে।