ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ঈদের ভিড়ে জাতীয় চিড়িয়াখানায় তীব্র যানজট, দর্শনার্থীদের ভোগান্তি

ঈদের দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকার মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে হাজার হাজার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছেন বিনোদনের জন্য। তবে, এই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর আগমনের ফলে চিড়িয়াখানা এলাকার সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মিরপুর ১ নম্বরের সনি সিনেমা হল থেকে চিড়িয়াখানার প্রবেশপথ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট লেগে আছে।

যানবাহনের চাপ এতটাই বেশি যে, অনেক দর্শনার্থী বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে নেমে দীর্ঘ পথ হেঁটে চিড়িয়াখানায় যাচ্ছেন। যানজট নিয়ন্ত্রণে রাইনখোলা মোড় থেকে চিড়িয়াখানার দিকে যানবাহন প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে, ফলে দর্শনার্থীদের প্রায় এক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করতে হচ্ছে। একইভাবে, চিড়িয়াখানা থেকে বের হওয়ার পর যানবাহন পেতেও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

যাত্রাবাড়ী থেকে পরিবার নিয়ে আসা মো. হোসাইন জানান, চিড়িয়াখানায় আসার জন্য ৪০০ টাকা ভাড়া দিলেও, ফেরার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলো যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা ভাড়া চাইছে। যানবাহন না পেয়ে এবং অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়ার কারণে তিনি পরিবার নিয়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছেন। হোসাইনের বোন রোকেয়া আক্তার বলেন, চিড়িয়াখানায় ঘুরে এমনিতেই ক্লান্ত, তার উপর বের হয়ে যানবাহন না পেয়ে আরও ভোগান্তিতে পড়েছেন। তিনি মনে করেন, চিড়িয়াখানার ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হওয়া উচিত ছিল যাতে সাধারণ মানুষকে এমন বিড়ম্বনার শিকার হতে না হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী থেকে মাইন সরাতে ন্যাটোর সহায়তা পাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ঈদের ভিড়ে জাতীয় চিড়িয়াখানায় তীব্র যানজট, দর্শনার্থীদের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

ঈদের দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকার মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে হাজার হাজার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছেন বিনোদনের জন্য। তবে, এই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর আগমনের ফলে চিড়িয়াখানা এলাকার সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মিরপুর ১ নম্বরের সনি সিনেমা হল থেকে চিড়িয়াখানার প্রবেশপথ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট লেগে আছে।

যানবাহনের চাপ এতটাই বেশি যে, অনেক দর্শনার্থী বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে নেমে দীর্ঘ পথ হেঁটে চিড়িয়াখানায় যাচ্ছেন। যানজট নিয়ন্ত্রণে রাইনখোলা মোড় থেকে চিড়িয়াখানার দিকে যানবাহন প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে, ফলে দর্শনার্থীদের প্রায় এক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করতে হচ্ছে। একইভাবে, চিড়িয়াখানা থেকে বের হওয়ার পর যানবাহন পেতেও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

যাত্রাবাড়ী থেকে পরিবার নিয়ে আসা মো. হোসাইন জানান, চিড়িয়াখানায় আসার জন্য ৪০০ টাকা ভাড়া দিলেও, ফেরার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলো যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা ভাড়া চাইছে। যানবাহন না পেয়ে এবং অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়ার কারণে তিনি পরিবার নিয়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছেন। হোসাইনের বোন রোকেয়া আক্তার বলেন, চিড়িয়াখানায় ঘুরে এমনিতেই ক্লান্ত, তার উপর বের হয়ে যানবাহন না পেয়ে আরও ভোগান্তিতে পড়েছেন। তিনি মনে করেন, চিড়িয়াখানার ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হওয়া উচিত ছিল যাতে সাধারণ মানুষকে এমন বিড়ম্বনার শিকার হতে না হয়।