পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা সহ দেশজুড়ে ঈদের বড় জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হবে শনিবার। ঢাকার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে এই জামাত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এই জামাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবার প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম নগরীতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে। এখানে সকাল আটটায় প্রথম এবং সকাল পৌনে নয়টায় দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় এই ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল সাড়ে আটটায় জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম মাঠে আরেকটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় ২২ একর আয়তনের এই মাঠে এবার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে, কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানও ঈদুল ফিতরের বড় জামাতের জন্য প্রস্তুত। এবার সেখানে ১৯৯তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য পাঁচ স্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের দিন সকাল ১০টায় জামাত শুরুর আগে ঐতিহ্য অনুযায়ী পরপর তিনবার বন্দুকের ফাঁকা গুলি ছোড়া হবে।
শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঈদের দিন কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ এবং ভৈরব-কিশোরগঞ্জ রুটে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। এই বিশেষ ব্যবস্থাগুলো দেশজুড়ে ঈদের আনন্দ উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করবে।
রিপোর্টারের নাম 
























