দশকব্যাপী দ্রাবিড় রাজনীতির আধিপত্য ভেঙে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর ক্ষমতায় এসেছেন অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে)। এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজয়। একইসঙ্গে তার মন্ত্রিসভার নয়জন সদস্যও শপথ গ্রহণ করেছেন, যেখানে পেশাগত ও বয়সের দিক থেকে উল্লেখযোগ্য বৈচিত্র্য দেখা গেছে।
বিজয়ের নতুন মন্ত্রিসভায় রয়েছেন চিকিৎসক, দন্তচিকিৎসক, সাবেক আইআরএস কর্মকর্তা এবং ২৯ বছর বয়সী এক কনিষ্ঠ বিধায়ক। তবে প্রথম দফায় শুধুমাত্র টিভিকে নেতাদেরই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, কোনো কংগ্রেস নেতাকে রাখা হয়নি।
মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন ২৯ বছর বয়সী অভিনেত্রী এস কীর্তনা, যিনি শিবকাশি আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। গণিত ও পরিসংখ্যানে উচ্চশিক্ষিত এই বিধায়ক বাজি শিল্পের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নারীদের সমান মজুরি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এছাড়াও, বিজয়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও দলের সাধারণ সম্পাদক এন আনন্দ চেন্নাইয়ের টি-নগর আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সাবেক জাতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও তুখোড় রাজনৈতিক কৌশলবিদ আধব অর্জুন, যিনি গত নির্বাচনে স্টালিনের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, এবার ভিল্লিবাক্কাম থেকে জয়ী হয়ে বিজয়ের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।
প্রশাসনে শিক্ষিত ও পেশাজীবীদের প্রাধান্য দিতে গিয়ে বিজয় ড. কেজি অরুণরাজ (চিকিৎসক ও সাবেক আইআরএস কর্মকর্তা) এবং দন্তচিকিৎসক ড. টিকে প্রভুকেও মন্ত্রিসভায় রেখেছেন। প্রবীণদের মধ্যে এআইএডিএমকে-র সাবেক প্রভাবশালী নেতা কেএ সেঙ্গোত্তাইয়ান পাঁচ দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করে বিজয়ের সঙ্গে যোগ দিয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন। অ্যাডভোকেট পি ভেঙ্কটরামানন (বিজয়ের ২০ বছরের ব্যক্তিগত ম্যানেজার ও দলের কোষাধ্যক্ষ), আইটি বিশেষজ্ঞ নির্মল কুমার এবং জনপ্রিয় স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান ও অভিনেতা রাজমোহন আরুমুগামও বিজয়ের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























