ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

মাতৃত্ব পুরোটাই সংগ্রাম: দুই সন্তানকে ঘিরেই পরীমণির পৃথিবী

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি সন্তানদের প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসা, মাতৃত্বের সংগ্রাম এবং জীবনের চড়াই-উতরাই নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন। দুই সন্তানকে ঘিরেই এখন তাঁর পৃথিবী, যেখানে তিনি একাধারে মা এবং বাবা—উভয় দায়িত্বই পালন করছেন পরম মমতায়।

সন্তানদের সঙ্গে তাঁর দিন কাটে ‘ঝড়ের গতিতে’। তিনি জানান, ওদের এখন যে বয়স, তাতে কখন কী মন-মর্জি হয় তা বুঝে ওঠা মুশকিল। সারাদিন দুই সন্তানের প্রচণ্ড দস্যিপনার মাঝেই তাঁর সময় কেটে যায়। বাইরে কাজ না থাকলে তিনি চেষ্টা করেন ওদের সব কাজ নিজেই করতে, বিশেষ করে খাবারটা তিনি অবশ্যই নিজে বানান। তবে কাজের প্রয়োজনে বাইরে গেলে ন্যানিদের সাহায্য নিতে হয় তাঁকে।

মায়েরা সন্তানদের শুধু দিয়েই যান বলে যে প্রচলিত ধারণা, সে বিষয়ে পরীমণি মনে করেন, তাই হওয়া উচিত। তাঁর মতে, সব দেওয়াটা তো মায়ের দায়িত্ব, আর বাবা-মায়ের কাছ থেকে সবকিছু পাওয়াটা সন্তানদের অধিকার। সন্তানদের কাছ থেকে তিনি যে ভালোবাসা ও বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা পান, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা আমার ডানা। ওদের জন্যই আমি এখন উড়তে পারি।’

সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের মধ্যে ‘আদর করার জন্য কম্পিটিশন’ তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। কে কত বেশি চুমু খেতে পারে, তা নিয়ে ওদের খুনসুটি তাঁর দারুণ লাগে। ভবিষ্যৎ ভাবনা সম্পর্কে পরীমণি জানান, তিনি চান তাঁর সন্তানরা বড় হয়ে ‘মানবিক’ মানুষ হোক। তিনি মনে করেন, বড় হয়ে গেলে তাঁর বাচ্চারা নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে যাবে, তাই সময়ের কাজ সময়ে হওয়া জরুরি।

বাবার (চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ) স্নেহ থেকে শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে—এই অভাবটুকু কীভাবে পূরণ করছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে পরীমণি বলেন, ‘আমি একাই ওদের জন্য যথেষ্ট।’ দেশের মায়েদের অনেক সংগ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, এই বিষয়টি তিনি গভীরভাবে অনুভব করেন এবং তাঁর মতে, মাতৃত্ব পুরোটাই আসলে একটা সংগ্রাম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ

মাতৃত্ব পুরোটাই সংগ্রাম: দুই সন্তানকে ঘিরেই পরীমণির পৃথিবী

আপডেট সময় : ০৪:০০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি সন্তানদের প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসা, মাতৃত্বের সংগ্রাম এবং জীবনের চড়াই-উতরাই নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন। দুই সন্তানকে ঘিরেই এখন তাঁর পৃথিবী, যেখানে তিনি একাধারে মা এবং বাবা—উভয় দায়িত্বই পালন করছেন পরম মমতায়।

সন্তানদের সঙ্গে তাঁর দিন কাটে ‘ঝড়ের গতিতে’। তিনি জানান, ওদের এখন যে বয়স, তাতে কখন কী মন-মর্জি হয় তা বুঝে ওঠা মুশকিল। সারাদিন দুই সন্তানের প্রচণ্ড দস্যিপনার মাঝেই তাঁর সময় কেটে যায়। বাইরে কাজ না থাকলে তিনি চেষ্টা করেন ওদের সব কাজ নিজেই করতে, বিশেষ করে খাবারটা তিনি অবশ্যই নিজে বানান। তবে কাজের প্রয়োজনে বাইরে গেলে ন্যানিদের সাহায্য নিতে হয় তাঁকে।

মায়েরা সন্তানদের শুধু দিয়েই যান বলে যে প্রচলিত ধারণা, সে বিষয়ে পরীমণি মনে করেন, তাই হওয়া উচিত। তাঁর মতে, সব দেওয়াটা তো মায়ের দায়িত্ব, আর বাবা-মায়ের কাছ থেকে সবকিছু পাওয়াটা সন্তানদের অধিকার। সন্তানদের কাছ থেকে তিনি যে ভালোবাসা ও বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা পান, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা আমার ডানা। ওদের জন্যই আমি এখন উড়তে পারি।’

সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের মধ্যে ‘আদর করার জন্য কম্পিটিশন’ তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। কে কত বেশি চুমু খেতে পারে, তা নিয়ে ওদের খুনসুটি তাঁর দারুণ লাগে। ভবিষ্যৎ ভাবনা সম্পর্কে পরীমণি জানান, তিনি চান তাঁর সন্তানরা বড় হয়ে ‘মানবিক’ মানুষ হোক। তিনি মনে করেন, বড় হয়ে গেলে তাঁর বাচ্চারা নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে যাবে, তাই সময়ের কাজ সময়ে হওয়া জরুরি।

বাবার (চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ) স্নেহ থেকে শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে—এই অভাবটুকু কীভাবে পূরণ করছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে পরীমণি বলেন, ‘আমি একাই ওদের জন্য যথেষ্ট।’ দেশের মায়েদের অনেক সংগ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, এই বিষয়টি তিনি গভীরভাবে অনুভব করেন এবং তাঁর মতে, মাতৃত্ব পুরোটাই আসলে একটা সংগ্রাম।