ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জ্বালানি আমদানি ব্যয় মেটাতে ২০০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার

আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে জ্বালানি আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার ঋণ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) ব্লুমবার্গ-এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ঋণের মধ্যে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাকি ৭০ কোটি ডলার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে সংগ্রহের প্রচেষ্টা চলছে। সরকার আগামী জুন মাসের মধ্যে এই বহুপক্ষীয় ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে চায়। তবে, এই বিষয়ে সরকারিভাবে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এই উদ্যোগের বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তুলনামূলক কম সুদের হারে ঋণ সংগ্রহের জন্য আলোচনা করছি। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সাথে আমাদের আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং আমরা নিশ্চিতভাবে সেই ঋণ পাবো বলে আশা করছি। একইভাবে, আইএমএফ থেকেও ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

অর্থনীতিবিদদের মতে, বহুপক্ষীয় সংস্থাগুলো থেকে এই ঋণ পাওয়া গেলে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলার ঝুঁকি কমাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ

জ্বালানি আমদানি ব্যয় মেটাতে ২০০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে জ্বালানি আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার ঋণ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) ব্লুমবার্গ-এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ঋণের মধ্যে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাকি ৭০ কোটি ডলার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে সংগ্রহের প্রচেষ্টা চলছে। সরকার আগামী জুন মাসের মধ্যে এই বহুপক্ষীয় ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে চায়। তবে, এই বিষয়ে সরকারিভাবে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এই উদ্যোগের বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তুলনামূলক কম সুদের হারে ঋণ সংগ্রহের জন্য আলোচনা করছি। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সাথে আমাদের আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং আমরা নিশ্চিতভাবে সেই ঋণ পাবো বলে আশা করছি। একইভাবে, আইএমএফ থেকেও ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

অর্থনীতিবিদদের মতে, বহুপক্ষীয় সংস্থাগুলো থেকে এই ঋণ পাওয়া গেলে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলার ঝুঁকি কমাবে।