ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: ছুটির প্রথম দিনেই ট্রেন-বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে উপচে পড়া ভিড়

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। ছুটির প্রথম দিন মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনাল এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে নাড়ির টানে গ্রামে ফেরার এই যাত্রায় পরিবহনগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

রেলপথে যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সিট না পেয়ে অনেককে ট্রেনের ছাদে চড়েও গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে। তবে নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়া অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হলেও অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট বা স্ট্যান্ডিং টিকিট ইস্যু করা হচ্ছে।

এদিকে সড়কপথে গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনালে যাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। তবে অনেক যাত্রীই বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন। সেই সঙ্গে মহাসড়কে যানজটের আশঙ্কা নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় আছেন ঘরমুখো মানুষ। অন্যদিকে নৌপথে সদরঘাট টার্মিনালে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময় মেনে লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে। লঞ্চের ক্ষেত্রে বাড়তি ভাড়ার তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি, যা যাত্রীদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে বিরোধে বাবাকে হত্যা, ছেলে আশঙ্কাজনক

নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: ছুটির প্রথম দিনেই ট্রেন-বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় : ০১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। ছুটির প্রথম দিন মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনাল এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে নাড়ির টানে গ্রামে ফেরার এই যাত্রায় পরিবহনগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

রেলপথে যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সিট না পেয়ে অনেককে ট্রেনের ছাদে চড়েও গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে। তবে নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়া অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হলেও অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট বা স্ট্যান্ডিং টিকিট ইস্যু করা হচ্ছে।

এদিকে সড়কপথে গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনালে যাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। তবে অনেক যাত্রীই বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন। সেই সঙ্গে মহাসড়কে যানজটের আশঙ্কা নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় আছেন ঘরমুখো মানুষ। অন্যদিকে নৌপথে সদরঘাট টার্মিনালে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময় মেনে লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে। লঞ্চের ক্ষেত্রে বাড়তি ভাড়ার তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি, যা যাত্রীদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।