ফেনীর পরশুরামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড় নিয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, অভিযুক্ত মক্তব শিক্ষক ও মসজিদের ইমাম মোজাফফর আহমদ সম্পূর্ণ নির্দোষ। অন্যদিকে, কিশোরীর গর্ভজাত সন্তানের ডিএনএ-র সঙ্গে তার আপন বড় ভাইয়ের ডিএনএ-র ৯৯.৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে। ঘটনাটি উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের উত্তর টেটেশ্বর গ্রামের।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে ওই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম মোজাফফরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি এক মাসেরও বেশি সময় জেল খাটেন এবং সামাজিকভাবে চরম লাঞ্ছনার শিকার হন। অভিযোগের কারণে তিনি তার চাকরি হারান এবং মামলার খরচ মেটাতে তাকে পৈত্রিক জমিও বিক্রি করতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে করা ডিএনএ পরীক্ষায় সত্য বেরিয়ে আসে।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরীর আপন বড় ভাই তাকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিল। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে পরিবার পরিকল্পিতভাবে ইমামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত ভাই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ইমাম মোজাফফরকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রকৃত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর ইমাম মোজাফফর এখন তার হারানো সম্মান ও ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























