ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

শুরু হলো টানা সাত দিনের ঈদের ছুটি: নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারা দেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ছুটির প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ ঈদ উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারিত ছুটির পাশাপাশি নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ এবং শবে কদরের ছুটি মিলিয়ে এই দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থেই এই বাড়তি ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও জরুরি সেবাগুলো সচল থাকবে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল এবং জরুরি চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনগুলো এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। ফলে সাধারণ মানুষ উৎসবের আমেজ উপভোগ করলেও জরুরি প্রয়োজনে সব ধরনের সেবা নিশ্চিত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে কিশোর হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

শুরু হলো টানা সাত দিনের ঈদের ছুটি: নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ

আপডেট সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারা দেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ছুটির প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ ঈদ উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারিত ছুটির পাশাপাশি নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ এবং শবে কদরের ছুটি মিলিয়ে এই দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থেই এই বাড়তি ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও জরুরি সেবাগুলো সচল থাকবে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল এবং জরুরি চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনগুলো এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। ফলে সাধারণ মানুষ উৎসবের আমেজ উপভোগ করলেও জরুরি প্রয়োজনে সব ধরনের সেবা নিশ্চিত থাকবে।