মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে চীন। বেইজিং সোমবার জানায়, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে চীনের বিশেষ দূত এই আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেকোনো হামলার নিন্দা জানানোর ওপর জোর দেন তিনি।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে সৃষ্ট এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে চীনের তেল সরবরাহও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বেইজিং তেহরানের ঘনিষ্ঠ অংশীদার হলেও, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার নিন্দা জানিয়েছে চীন। তবে সংঘাত শুরুর পর সৌদি আরবসহ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের ওপর ইরানের হামলারও সমালোচনা করেছে তারা।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশেষ দূত ঝাই জুন রোববার সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে এক বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘চীন সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছে। উত্তেজনা আরও বাড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং আঞ্চলিক দেশের জনগণের আরও ক্ষতি এড়াতে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা অক্ষুণ্ণ রাখা উচিত। নিরীহ বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক নয় এমন লক্ষ্যবস্তুতে যেকোনো হামলার নিন্দা করা উচিত।’ গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আল-বুদাইউইয়ের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে ঝাই জুন দ্রুত আলোচনার পথে ফেরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘চীন গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধ বন্ধে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।’ চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই লড়াই বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না।
রিপোর্টারের নাম 

























