ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিখোঁজ ১১ হাজার ছাড়িয়েছে, বাড়ছে আতঙ্ক

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিখোঁজের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যদিও এই সংখ্যাটি এখনও দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেক মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহরের বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং প্রধান সড়কগুলোতে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে।

বিপর্যয়ের এই মুহূর্তে নিখোঁজ স্বজনদের তথ্য সংগ্রহে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক জোট। সেখানে নিবন্ধিত তথ্যের ভিত্তিতেই এই বিশাল সংখ্যক মানুষের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে। ভূমিকম্পের সময় দীর্ঘ ছুটির দিন থাকায় অধিকাংশ মানুষ বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন, যা প্রাণহানি ও নিখোঁজের সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ট্রেনে টাস্কফোর্সের অভিযান: কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিখোঁজ ১১ হাজার ছাড়িয়েছে, বাড়ছে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০৮:২১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিখোঁজের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যদিও এই সংখ্যাটি এখনও দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেক মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহরের বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং প্রধান সড়কগুলোতে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে।

বিপর্যয়ের এই মুহূর্তে নিখোঁজ স্বজনদের তথ্য সংগ্রহে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক জোট। সেখানে নিবন্ধিত তথ্যের ভিত্তিতেই এই বিশাল সংখ্যক মানুষের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে। ভূমিকম্পের সময় দীর্ঘ ছুটির দিন থাকায় অধিকাংশ মানুষ বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন, যা প্রাণহানি ও নিখোঁজের সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।