ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ভুয়া পরীক্ষার্থী সেজে প্রক্সি, আটক ৪

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অফিস সহায়ক পদের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) দিতে এসে চারজন ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এই ঘটনা ঘটে। মৌখিক পরীক্ষায় তাদের আশানুরূপ পারদর্শিতা না দেখা এবং লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের হাতের লেখার সঙ্গে মিল না পাওয়ায় সন্দেহ জাগে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই মৌখিক পরীক্ষাগুলো ২৪, ২৫ এবং ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। আটককৃতরা হলেন মো. মোমিনুল ইসলাম মৃদুল, মো. সোহেল রানা, মো. রোমান এবং মামুন মিয়া।

জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন যে, তারা নিজেরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেননি, বরং অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে প্রক্সি পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তাদের লিখিত স্বীকারোক্তির পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনা সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জকে আবারও সামনে আনল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ভুয়া পরীক্ষার্থী সেজে প্রক্সি, আটক ৪

আপডেট সময় : ১০:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অফিস সহায়ক পদের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) দিতে এসে চারজন ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এই ঘটনা ঘটে। মৌখিক পরীক্ষায় তাদের আশানুরূপ পারদর্শিতা না দেখা এবং লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের হাতের লেখার সঙ্গে মিল না পাওয়ায় সন্দেহ জাগে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই মৌখিক পরীক্ষাগুলো ২৪, ২৫ এবং ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। আটককৃতরা হলেন মো. মোমিনুল ইসলাম মৃদুল, মো. সোহেল রানা, মো. রোমান এবং মামুন মিয়া।

জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন যে, তারা নিজেরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেননি, বরং অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে প্রক্সি পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তাদের লিখিত স্বীকারোক্তির পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনা সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জকে আবারও সামনে আনল।