ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

‘২৮ লাখ কোটি টাকা পাচারকারীরা বুক ফুলিয়ে চলছে, এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কই?’

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ অর্থ পাচার ও সুশাসনের অভাব নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্র অনুযায়ী ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, অথচ পাচারকারীরা এখনো রাজধানীর অভিজাত এলাকায় দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিতর্কিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে দেশবাসী জানতে চায়। কোনো ধরনের পর্দার আড়ালের সমঝোতা হচ্ছে কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একদিকে নিত্যপণ্যের দাম কমানোর কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে কর বাড়ানো হচ্ছে; যা সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়েও তিনি অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, প্রতি মাসে দেড় লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, গত চার মাসে তার বাস্তবায়ন কতটুকু হয়েছে তা জানানো দরকার। ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং পাচার হওয়া টাকা উদ্ধারে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই বলেও তিনি অভিযোগ করেন। জনগণের টাকা নিয়ে বিলাসিতা বন্ধ করে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও গুম হওয়াদের স্বজনদের এমপির কার্যালয়ে চাকরির প্রস্তাব

‘২৮ লাখ কোটি টাকা পাচারকারীরা বুক ফুলিয়ে চলছে, এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কই?’

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ অর্থ পাচার ও সুশাসনের অভাব নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্র অনুযায়ী ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, অথচ পাচারকারীরা এখনো রাজধানীর অভিজাত এলাকায় দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিতর্কিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে দেশবাসী জানতে চায়। কোনো ধরনের পর্দার আড়ালের সমঝোতা হচ্ছে কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একদিকে নিত্যপণ্যের দাম কমানোর কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে কর বাড়ানো হচ্ছে; যা সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়েও তিনি অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, প্রতি মাসে দেড় লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, গত চার মাসে তার বাস্তবায়ন কতটুকু হয়েছে তা জানানো দরকার। ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং পাচার হওয়া টাকা উদ্ধারে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই বলেও তিনি অভিযোগ করেন। জনগণের টাকা নিয়ে বিলাসিতা বন্ধ করে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানান তিনি।