ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

গ্রামের শিক্ষকরা শহরে থাকতে পারবেন না, ফিরে যেতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন কঠোর বার্তা দিয়ে বলেছেন, গত ২০ বছরে যেসব শিক্ষক গ্রামের স্কুল থেকে শহরে এসেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং তাদের আবার গ্রামের স্কুলেই ফিরে যেতে হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি/সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় যশোর ও খুলনাস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও একই সাথে মিড ডে মিল চালু করা হবে। এছাড়া, ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডেও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে আমরা নকলের অবসান ঘটিয়েছিলাম, কিন্তু এখন আবার নকলের নতুন ধরন তৈরি হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিজিটাল নকল কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। পরীক্ষার হলে বই-খাতা পাওয়া গেলে হল সুপারকে এর দায় নিতে হবে এবং দায়িত্ব অবহেলায় সংশ্লিষ্টদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার সুযোগ থাকবে না। কেউ যদি ফেসবুকে ভুয়া প্রশ্নপত্র প্রকাশ করে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করবে এবং ওই ব্যক্তিকে তার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। সঠিকতা যাচাইয়ের আগেই ভুয়া প্রশ্নপত্র প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়াও, শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন, ২০২২ সাল থেকে যেসব শিক্ষক অবসরে গেছেন, কিন্তু কল্যাণ ভাতা ও অবসর ভাতা পাননি, তাদের বকেয়া ভাতা শিগগিরই পরিশোধ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

গ্রামের শিক্ষকরা শহরে থাকতে পারবেন না, ফিরে যেতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন কঠোর বার্তা দিয়ে বলেছেন, গত ২০ বছরে যেসব শিক্ষক গ্রামের স্কুল থেকে শহরে এসেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং তাদের আবার গ্রামের স্কুলেই ফিরে যেতে হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি/সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় যশোর ও খুলনাস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও একই সাথে মিড ডে মিল চালু করা হবে। এছাড়া, ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডেও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে আমরা নকলের অবসান ঘটিয়েছিলাম, কিন্তু এখন আবার নকলের নতুন ধরন তৈরি হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিজিটাল নকল কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। পরীক্ষার হলে বই-খাতা পাওয়া গেলে হল সুপারকে এর দায় নিতে হবে এবং দায়িত্ব অবহেলায় সংশ্লিষ্টদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার সুযোগ থাকবে না। কেউ যদি ফেসবুকে ভুয়া প্রশ্নপত্র প্রকাশ করে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করবে এবং ওই ব্যক্তিকে তার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। সঠিকতা যাচাইয়ের আগেই ভুয়া প্রশ্নপত্র প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়াও, শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন, ২০২২ সাল থেকে যেসব শিক্ষক অবসরে গেছেন, কিন্তু কল্যাণ ভাতা ও অবসর ভাতা পাননি, তাদের বকেয়া ভাতা শিগগিরই পরিশোধ করা হবে।