ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

বৈশ্বিক সংকটে সরকারি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নির্দেশনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে সরকারি কার্যালয়গুলোতে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, জাতীয় স্বার্থে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় রোধ করা অপরিহার্য। এর অংশ হিসেবে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারে বিরত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কক্ষের জানালা-দরজা বা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যমান আলোর অন্তত অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং কেবল প্রয়োজনীয় স্থানেই বাতি জ্বালানো যাবে।

অফিস চলাকালীন সময়ে কক্ষের অপ্রয়োজনীয় বাতি, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা তার বেশি নির্ধারণ করতে হবে। অফিসকক্ষ ত্যাগের পূর্বে অবশ্যই কক্ষের সব বাতি, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ করে যেতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি এবং ওয়াশরুমেও অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার পরিহার করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে।

অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম যেমন লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার, সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিতকরণ এবং জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সকল দফতর ও সংস্থাকে এই নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এবং তাদের অধীনস্থ কার্যালয়গুলোতেও একই নির্দেশনা প্রেরণের অনুরোধ জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা

বৈশ্বিক সংকটে সরকারি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে সরকারি কার্যালয়গুলোতে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, জাতীয় স্বার্থে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় রোধ করা অপরিহার্য। এর অংশ হিসেবে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারে বিরত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কক্ষের জানালা-দরজা বা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যমান আলোর অন্তত অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং কেবল প্রয়োজনীয় স্থানেই বাতি জ্বালানো যাবে।

অফিস চলাকালীন সময়ে কক্ষের অপ্রয়োজনীয় বাতি, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা তার বেশি নির্ধারণ করতে হবে। অফিসকক্ষ ত্যাগের পূর্বে অবশ্যই কক্ষের সব বাতি, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ করে যেতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি এবং ওয়াশরুমেও অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার পরিহার করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়েছে।

অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম যেমন লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার, সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিতকরণ এবং জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সকল দফতর ও সংস্থাকে এই নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এবং তাদের অধীনস্থ কার্যালয়গুলোতেও একই নির্দেশনা প্রেরণের অনুরোধ জানিয়েছে।