ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

অসম লড়াই, তবু আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

পিটার বাটলার সবসময়ই একই টোনে কথা বলেন। আজ বৃহস্পতিবারও সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে মৃদু হাসি নিয়ে নিজের মতো করে কথার পসরা সাজিয়েছিলেন তিনি।

চীনের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে বেড়েছে—ইংলিশ কোচের কথাতেই তা স্পষ্ট। ‘বি’ গ্রুপে শুক্রবার আরেক শক্তিধর দল উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাটলার অ্যান্ড কোং এই ম্যাচেও যথাসাধ্য লড়াই করতে চায়।

উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে

এক অর্থে বর্তমান শক্তিমত্তার বিচারে উত্তর কোরিয়া চীনের চেয়েও এগিয়ে। তাদের ফিফা র‍্যাঙ্কিং ৯, আর বাংলাদেশের অবস্থান ১১২। ফলে আবারও অসম প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে মিলি-নবীরনরা। তবে পিটার বাটলার আশাবাদী একজন মানুষ।

উত্তর কোরিয়াকে সমীহ করেই তিনি বললেন, ‘উত্তর কোরিয়ার মতো খুব শক্তিশালী একটি দলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। তারা টেকনিক্যালি দারুণ দক্ষ এবং সত্যিই প্রতিভাবান একটি দল। আপনি যদি তাদের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের দিকে তাকান, তাহলে বুঝতে পারবেন তারাই সম্ভবত এই টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট।’

‘আমাদের নিজেদের সেরা ছন্দে থাকতে হবে। আমি একজন বাস্তববাদী মানুষ এবং জানি, অনেক দিক থেকেই এই ম্যাচ জেতা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তবে মূল বিষয় হলো নিজের সেরাটা দেওয়া এবং নিজের নিজস্বতা ধরে রাখা। আমরা যদি সেটা করতে পারি, তাহলে আশা করি আমরা অনেক হৃদয় জয় করতে পারবো এবং সমর্থকেরা আমাদের সমর্থন করা শুরু করবে, যেমনটা তারা আগের রাতে করেছিল। আমরা শুধু রক্ষণভাগ সামলে বসে থাকব না, আমরা লড়াই করব।’

পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা

চীনের মতো দলের বিপক্ষে যেমন পারফরম্যান্স ছিল, সেটা আগামী ম্যাচেও দেখতে চান বাটলার। তিনি বলেন, ‘আশা করি গত ম্যাচের মতো চরিত্র কালও দেখা যাবে। তারা একই রকম বিনয় নিয়ে মাঠে নামবে এবং আমার তৈরি করা গেম প্ল্যান অনুসরণ করবে। যদি সেটা করতে পারি, তাহলে নিজেদের ভালোভাবে প্রমাণ দিতে পারব।’

‘আমি শুধু চাই আমরা এখানে এসে আমরা আসলে যা, তার প্রতি বিশ্বস্ত থাকি। আগের রাতে আমরা হেরেছি—ব্যবধানটা আরও বড় হতে পারতো, আবার কমও হতে পারতো। ফুটবল পুরোটাই মুহূর্তের খেলা। আমার মনে হয়েছে আমাদেরও কিছু ভালো মুহূর্ত ছিল এবং আগামীকাল উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষেও তেমনটা ঘটবে।’

নতুন গোলকিপার মিলির প্রশংসা

দীর্ঘদেহী গোলকিপার মিলির প্রশংসাও করেন বাটলার। তিনি বলেন, ‘মিলি অনেকটা এলভিস প্রিসলির মতো—তার দারুণ একটা স্টাইল আছে। এই টুর্নামেন্টে তার চুলের স্টাইলই সেরা। আজ সকালেও আমরা এটা নিয়ে কথা বলছিলাম।’

‘সে অনেক দিন ধরেই সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। সে আগে খেলেনি তার একমাত্র কারণ হলো আমাদের কোনও ম্যাচ ছিল না। চীন ম্যাচের আগে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ দিন আমাদের কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ ছিল না, যা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। এই সুযোগ সে পাওয়ার যোগ্য, কারণ তার উচ্চতা আছে, হাত ভালো এবং তার চরিত্রও দারুণ। সবচেয়ে বড় কথা, সে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে এসেছে, কারণ সে একজন সৈনিক—যা অনেকেই জানে না।’

উত্তর কোরিয়াকে যেভাবে থামাতে চান

কীভাবে তাদের থামানো যায়—এ প্রসঙ্গে বাটলার বলেন,‘ভালো প্রশ্ন। আমাদের একটি গেম প্ল্যান আছে এবং আমার মনে হয় পরিকল্পনাটি বেশ কার্যকর হবে। দিনের শেষে আমরা শুধু বসে থেকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ দেখবো না।’

‘যদি আমরা গোল খাইও, সেটা হতে পারে। কিন্তু আমি চাই আমাদের দল ঠিকভাবে খেলুক, শুধু রক্ষণাত্মক না হয়ে। যখন বল আমাদের দখলে থাকবে, তখন আমরা আক্রমণাত্মক এবং সৃজনশীল থাকবো। আর যখন বল আমাদের কাছে থাকবে না, তখন মাঠের জায়গা কমিয়ে রক্ষণভাগকে সুসংহত রাখবো। কোরিয়া বা চীনের মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে আমাদের খুব সুশৃঙ্খল থাকতে হবে।’

উত্তর কোরিয়াকে বিশ্লেষণ নিয়ে

প্রতিপক্ষ নিয়ে বিশ্লেষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘হ্যাঁ, আমরা খুব বেশি কিছু (ভিডিও) পাচ্ছিলাম না। চীন এবং কোরিয়া যখন একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল, শুধুমাত্র সেই ম্যাচগুলোর কিছু ফুটেজ পেয়েছি। ফুটবল বিশ্ব এখন বেশ ছোট, তাই কিছু তথ্য পাওয়া যায়। তবে আপনি যতই গবেষণা বা ভিডিও অ্যানালাইসিস করুন না কেন, বাঁশি বাজার আগে আসলে বোঝা যায় না মাঠে কী হতে চলেছে।’

‘খেলোয়াড়রাই সিস্টেম তৈরি করে, সিস্টেম খেলোয়াড় তৈরি করে না। আপনাকে যথেষ্ট বুদ্ধিমান হতে হবে, যাতে দ্রুত কোনও পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায় বা প্রতিপক্ষের কৌশল মোকাবিলা করা যায়। আমি জানি মাঠের সব জায়গাতেই তাদের শক্তিমত্তা রয়েছে।’

একাদশে পরিবর্তন নিয়ে

একাদশে কিছু পরিবর্তন থাকবে বলেও জানান বাটলার। তিনি বলেন,‘কিছু পরিবর্তন থাকবে। আমরা খেলোয়াড়দের কাজের চাপ বা ওয়ার্কলোড নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। আমরা অবশ্যই আগামী ম্যাচে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে চাই, তবে এটাই সব নয়। পার্থে আমাদের তৃতীয় ম্যাচ রয়েছে। তাই কিছু বাধ্যতামূলক এবং কৌশলগত পরিবর্তন থাকবে। তবে ম্যাচের দিন সকালের আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না—যদি কেউ চোট পায়।’

কোয়ার্টার ফাইনাল প্রসঙ্গে

কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে বড় কোনও স্বপ্ন দেখছেন না বাটলার। তিনি বলেন, ‘আমি তা মনে করি না। আমরা এখানে আকাশকুসুম কল্পনা নিয়ে আসিনি যে আমরা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে যাচ্ছি। আমি এটা ভাবতে চাই যে প্রতিটি ম্যাচে এই মেয়েরা উন্নতি করবে, তারা শিখবে।’

‘এটি তাদের জন্য শেখার একটি শিক্ষামূলক সুযোগ। আমরা আসলে একটি অত্যন্ত ভালো দলের বিপক্ষে খেলছি। তবে আমরা উন্নতি করবো—সময় নিয়ে, স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদে। আমি শুধু চাই খেলোয়াড়রা মাঠে গিয়ে তাদের সেরাটা দিক এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে খেলুক।’

এরপর বাংলাদেশ অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেছেন, ‘উত্তর কোরিয়া অনেক শক্তিশালী এবং ভালো দল। আমরা গত ম্যাচে যে ভুলগুলো করেছি, পরবর্তী ম্যাচে যেন সেই ভুলগুলো না করি—কোচ আমাদের সেভাবেই দেখিয়ে দেবেন। ইনশাআল্লাহ আমরা ভালো খেলব। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অসম লড়াই, তবু আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১২:১৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

পিটার বাটলার সবসময়ই একই টোনে কথা বলেন। আজ বৃহস্পতিবারও সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে মৃদু হাসি নিয়ে নিজের মতো করে কথার পসরা সাজিয়েছিলেন তিনি।

চীনের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে বেড়েছে—ইংলিশ কোচের কথাতেই তা স্পষ্ট। ‘বি’ গ্রুপে শুক্রবার আরেক শক্তিধর দল উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাটলার অ্যান্ড কোং এই ম্যাচেও যথাসাধ্য লড়াই করতে চায়।

উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে

এক অর্থে বর্তমান শক্তিমত্তার বিচারে উত্তর কোরিয়া চীনের চেয়েও এগিয়ে। তাদের ফিফা র‍্যাঙ্কিং ৯, আর বাংলাদেশের অবস্থান ১১২। ফলে আবারও অসম প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে মিলি-নবীরনরা। তবে পিটার বাটলার আশাবাদী একজন মানুষ।

উত্তর কোরিয়াকে সমীহ করেই তিনি বললেন, ‘উত্তর কোরিয়ার মতো খুব শক্তিশালী একটি দলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। তারা টেকনিক্যালি দারুণ দক্ষ এবং সত্যিই প্রতিভাবান একটি দল। আপনি যদি তাদের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের দিকে তাকান, তাহলে বুঝতে পারবেন তারাই সম্ভবত এই টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট।’

‘আমাদের নিজেদের সেরা ছন্দে থাকতে হবে। আমি একজন বাস্তববাদী মানুষ এবং জানি, অনেক দিক থেকেই এই ম্যাচ জেতা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তবে মূল বিষয় হলো নিজের সেরাটা দেওয়া এবং নিজের নিজস্বতা ধরে রাখা। আমরা যদি সেটা করতে পারি, তাহলে আশা করি আমরা অনেক হৃদয় জয় করতে পারবো এবং সমর্থকেরা আমাদের সমর্থন করা শুরু করবে, যেমনটা তারা আগের রাতে করেছিল। আমরা শুধু রক্ষণভাগ সামলে বসে থাকব না, আমরা লড়াই করব।’

পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা

চীনের মতো দলের বিপক্ষে যেমন পারফরম্যান্স ছিল, সেটা আগামী ম্যাচেও দেখতে চান বাটলার। তিনি বলেন, ‘আশা করি গত ম্যাচের মতো চরিত্র কালও দেখা যাবে। তারা একই রকম বিনয় নিয়ে মাঠে নামবে এবং আমার তৈরি করা গেম প্ল্যান অনুসরণ করবে। যদি সেটা করতে পারি, তাহলে নিজেদের ভালোভাবে প্রমাণ দিতে পারব।’

‘আমি শুধু চাই আমরা এখানে এসে আমরা আসলে যা, তার প্রতি বিশ্বস্ত থাকি। আগের রাতে আমরা হেরেছি—ব্যবধানটা আরও বড় হতে পারতো, আবার কমও হতে পারতো। ফুটবল পুরোটাই মুহূর্তের খেলা। আমার মনে হয়েছে আমাদেরও কিছু ভালো মুহূর্ত ছিল এবং আগামীকাল উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষেও তেমনটা ঘটবে।’

নতুন গোলকিপার মিলির প্রশংসা

দীর্ঘদেহী গোলকিপার মিলির প্রশংসাও করেন বাটলার। তিনি বলেন, ‘মিলি অনেকটা এলভিস প্রিসলির মতো—তার দারুণ একটা স্টাইল আছে। এই টুর্নামেন্টে তার চুলের স্টাইলই সেরা। আজ সকালেও আমরা এটা নিয়ে কথা বলছিলাম।’

‘সে অনেক দিন ধরেই সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। সে আগে খেলেনি তার একমাত্র কারণ হলো আমাদের কোনও ম্যাচ ছিল না। চীন ম্যাচের আগে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ দিন আমাদের কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ ছিল না, যা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। এই সুযোগ সে পাওয়ার যোগ্য, কারণ তার উচ্চতা আছে, হাত ভালো এবং তার চরিত্রও দারুণ। সবচেয়ে বড় কথা, সে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে এসেছে, কারণ সে একজন সৈনিক—যা অনেকেই জানে না।’

উত্তর কোরিয়াকে যেভাবে থামাতে চান

কীভাবে তাদের থামানো যায়—এ প্রসঙ্গে বাটলার বলেন,‘ভালো প্রশ্ন। আমাদের একটি গেম প্ল্যান আছে এবং আমার মনে হয় পরিকল্পনাটি বেশ কার্যকর হবে। দিনের শেষে আমরা শুধু বসে থেকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ দেখবো না।’

‘যদি আমরা গোল খাইও, সেটা হতে পারে। কিন্তু আমি চাই আমাদের দল ঠিকভাবে খেলুক, শুধু রক্ষণাত্মক না হয়ে। যখন বল আমাদের দখলে থাকবে, তখন আমরা আক্রমণাত্মক এবং সৃজনশীল থাকবো। আর যখন বল আমাদের কাছে থাকবে না, তখন মাঠের জায়গা কমিয়ে রক্ষণভাগকে সুসংহত রাখবো। কোরিয়া বা চীনের মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে আমাদের খুব সুশৃঙ্খল থাকতে হবে।’

উত্তর কোরিয়াকে বিশ্লেষণ নিয়ে

প্রতিপক্ষ নিয়ে বিশ্লেষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘হ্যাঁ, আমরা খুব বেশি কিছু (ভিডিও) পাচ্ছিলাম না। চীন এবং কোরিয়া যখন একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল, শুধুমাত্র সেই ম্যাচগুলোর কিছু ফুটেজ পেয়েছি। ফুটবল বিশ্ব এখন বেশ ছোট, তাই কিছু তথ্য পাওয়া যায়। তবে আপনি যতই গবেষণা বা ভিডিও অ্যানালাইসিস করুন না কেন, বাঁশি বাজার আগে আসলে বোঝা যায় না মাঠে কী হতে চলেছে।’

‘খেলোয়াড়রাই সিস্টেম তৈরি করে, সিস্টেম খেলোয়াড় তৈরি করে না। আপনাকে যথেষ্ট বুদ্ধিমান হতে হবে, যাতে দ্রুত কোনও পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায় বা প্রতিপক্ষের কৌশল মোকাবিলা করা যায়। আমি জানি মাঠের সব জায়গাতেই তাদের শক্তিমত্তা রয়েছে।’

একাদশে পরিবর্তন নিয়ে

একাদশে কিছু পরিবর্তন থাকবে বলেও জানান বাটলার। তিনি বলেন,‘কিছু পরিবর্তন থাকবে। আমরা খেলোয়াড়দের কাজের চাপ বা ওয়ার্কলোড নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। আমরা অবশ্যই আগামী ম্যাচে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে চাই, তবে এটাই সব নয়। পার্থে আমাদের তৃতীয় ম্যাচ রয়েছে। তাই কিছু বাধ্যতামূলক এবং কৌশলগত পরিবর্তন থাকবে। তবে ম্যাচের দিন সকালের আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না—যদি কেউ চোট পায়।’

কোয়ার্টার ফাইনাল প্রসঙ্গে

কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে বড় কোনও স্বপ্ন দেখছেন না বাটলার। তিনি বলেন, ‘আমি তা মনে করি না। আমরা এখানে আকাশকুসুম কল্পনা নিয়ে আসিনি যে আমরা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে যাচ্ছি। আমি এটা ভাবতে চাই যে প্রতিটি ম্যাচে এই মেয়েরা উন্নতি করবে, তারা শিখবে।’

‘এটি তাদের জন্য শেখার একটি শিক্ষামূলক সুযোগ। আমরা আসলে একটি অত্যন্ত ভালো দলের বিপক্ষে খেলছি। তবে আমরা উন্নতি করবো—সময় নিয়ে, স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদে। আমি শুধু চাই খেলোয়াড়রা মাঠে গিয়ে তাদের সেরাটা দিক এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে খেলুক।’

এরপর বাংলাদেশ অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেছেন, ‘উত্তর কোরিয়া অনেক শক্তিশালী এবং ভালো দল। আমরা গত ম্যাচে যে ভুলগুলো করেছি, পরবর্তী ম্যাচে যেন সেই ভুলগুলো না করি—কোচ আমাদের সেভাবেই দেখিয়ে দেবেন। ইনশাআল্লাহ আমরা ভালো খেলব। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’