ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

অর্থ মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার

অর্থ মন্ত্রণালয় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার একটি महत्त्वाकांক্ষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রণীত আগামী অর্থবছরের মিডিয়াম-টার্ম বাজেট ফ্রেমওয়ার্ক (এমটিবিএফ) এ এই তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার। তবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এটি কমে ২৬.৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। পরবর্তীকালে রিজার্ভ স্থিতিশীল হতে শুরু করে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে তা ৩১.১৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

এমটিবিএফ-এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, মধ্যমেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই রিজার্ভ ৪১.০১ বিলিয়ন ডলারে, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৫০.৬২ বিলিয়ন ডলারে এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৬২.৬৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রক্ষেপণটি শক্তিশালী প্রবাসী আয়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এবং সতর্ক বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। এই সময়ে রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৫.৪ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত ছয় মাসের পর্যাপ্ততার মানদণ্ডের কাছাকাছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সামরিক ব্যয় নিয়ে মতবিরোধে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

অর্থ মন্ত্রণালয় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার একটি महत्त्वाकांক্ষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রণীত আগামী অর্থবছরের মিডিয়াম-টার্ম বাজেট ফ্রেমওয়ার্ক (এমটিবিএফ) এ এই তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার। তবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এটি কমে ২৬.৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। পরবর্তীকালে রিজার্ভ স্থিতিশীল হতে শুরু করে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে তা ৩১.১৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

এমটিবিএফ-এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, মধ্যমেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই রিজার্ভ ৪১.০১ বিলিয়ন ডলারে, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৫০.৬২ বিলিয়ন ডলারে এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৬২.৬৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রক্ষেপণটি শক্তিশালী প্রবাসী আয়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এবং সতর্ক বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। এই সময়ে রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৫.৪ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত ছয় মাসের পর্যাপ্ততার মানদণ্ডের কাছাকাছি।