জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঠ্যবইয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জীবন, কর্ম, শাহাদাত এবং তার পরবর্তী ঘটনাবলি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
সভা সূত্রে জানা গেছে, আগামী শিক্ষাবর্ষগুলোতে পাঠ্যবইয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘একটি জাতির জন্ম’ ও ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক রচনার আলোকে নতুন পাঠ সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরতে তাকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইয়ের ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ অধ্যায়ে তিতুমীর, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, নূর হোসেন, আবু সাঈদ ও মীর মুগ্ধকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, ঠিক একই ধরনের বিন্যাসে শরিফ ওসমান হাদির জীবন ও আত্মত্যাগ তুলে ধরা হবে।
ঝালকাঠির নলছিটির সন্তান শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার পর তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















