ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

‘তাকওয়ার যথাযথ চর্চাই পারে সমাজ থেকে অপরাধ ও জুলুম দূর করতে’

পবিত্র রমজান মাসকে আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, যথাযথভাবে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন মুমিন যদি নিজের অন্তরে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া লালন করতে পারেন, তবে তার পক্ষে কোনো ধরনের অপরাধ বা অন্যায়ে জড়ানো অসম্ভব। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত তাকওয়ার প্রতিফলন ঘটলে সমাজ থেকে যাবতীয় জুলুম ও পাপাচার নির্মূল করা সম্ভব।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ‘অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে সিয়ামের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ মসজিদ মিশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।

ড. খালিদ হোসেন তার বক্তব্যে আরও বলেন, তাকওয়া কেবল ইবাদত-বন্দেগির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষের সামগ্রিক জীবনকে সুশৃঙ্খল ও পরিচ্ছন্ন করে। যখন একজন মানুষের মনে পরকালের জবাবদিহিতার ভয় থাকে, তখন সে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি নিজের দায়িত্ব পালনে আরও সচেতন হয়। ফলে একটি সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে তাকওয়ার চর্চা অপরিহার্য।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. নিজাম উদ্দীন। সেমিনারে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা এবং জেলা প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা যাইনুল আবেদীন একটি আদর্শ সমাজ গঠনে ইমাম ও খতিবদের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সামাজিক কুসংস্কার ও বিভিন্ন সংকট দূরীকরণে ইমামদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো সামাজিক অস্থিরতা নিরসনে আলেম সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘তাকওয়ার যথাযথ চর্চাই পারে সমাজ থেকে অপরাধ ও জুলুম দূর করতে’

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসকে আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, যথাযথভাবে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন মুমিন যদি নিজের অন্তরে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া লালন করতে পারেন, তবে তার পক্ষে কোনো ধরনের অপরাধ বা অন্যায়ে জড়ানো অসম্ভব। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত তাকওয়ার প্রতিফলন ঘটলে সমাজ থেকে যাবতীয় জুলুম ও পাপাচার নির্মূল করা সম্ভব।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ‘অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে সিয়ামের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ মসজিদ মিশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।

ড. খালিদ হোসেন তার বক্তব্যে আরও বলেন, তাকওয়া কেবল ইবাদত-বন্দেগির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষের সামগ্রিক জীবনকে সুশৃঙ্খল ও পরিচ্ছন্ন করে। যখন একজন মানুষের মনে পরকালের জবাবদিহিতার ভয় থাকে, তখন সে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি নিজের দায়িত্ব পালনে আরও সচেতন হয়। ফলে একটি সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে তাকওয়ার চর্চা অপরিহার্য।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. নিজাম উদ্দীন। সেমিনারে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা এবং জেলা প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা যাইনুল আবেদীন একটি আদর্শ সমাজ গঠনে ইমাম ও খতিবদের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সামাজিক কুসংস্কার ও বিভিন্ন সংকট দূরীকরণে ইমামদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো সামাজিক অস্থিরতা নিরসনে আলেম সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।