ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

পটুয়াখালীতে নির্মিত হচ্ছে ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, চুক্তি স্বাক্ষরিত

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু’। এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি সই হয়।

প্রস্তাবিত এই সেতুটি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালী-বাউফল-গলাচিপা জেলা মহাসড়কের বগা ফেরিঘাট এলাকায় নির্মিত হবে। ২.৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মধ্যে মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ১.৩৪৮ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১.২৭২ কিলোমিটার। চুক্তি অনুযায়ী, চীন সরকার মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন অনুদান হিসেবে প্রদান করবে। বাংলাদেশ সরকার ভূমি অধিগ্রহণ ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার বহন করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সেতুটি নির্মিত হলে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ দূর হবে। কৃষিপণ্য ও মৎস্য সম্পদ দ্রুত পরিবহনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ২০২৬ বিশ্বকাপ: ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

পটুয়াখালীতে নির্মিত হচ্ছে ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, চুক্তি স্বাক্ষরিত

আপডেট সময় : ১২:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু’। এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি সই হয়।

প্রস্তাবিত এই সেতুটি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালী-বাউফল-গলাচিপা জেলা মহাসড়কের বগা ফেরিঘাট এলাকায় নির্মিত হবে। ২.৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মধ্যে মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ১.৩৪৮ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১.২৭২ কিলোমিটার। চুক্তি অনুযায়ী, চীন সরকার মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন অনুদান হিসেবে প্রদান করবে। বাংলাদেশ সরকার ভূমি অধিগ্রহণ ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার বহন করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সেতুটি নির্মিত হলে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ দূর হবে। কৃষিপণ্য ও মৎস্য সম্পদ দ্রুত পরিবহনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।