পচনশীল কৃষিপণ্য সংরক্ষণ এবং কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এক হাজার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক গুদাম বা হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও টমেটোর মতো পচনশীল পণ্য উৎপাদন-পরবর্তী অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে সরাসরি বাজেট বরাদ্দ বা বিশেষ প্রক্রিয়ায় দ্রুত এই কোল্ডস্টোরেজগুলো স্থাপন করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালককে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সংরক্ষণাগারের সংখ্যা অনেক কম। বিশেষ করে আলুর বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৯০ লাখ টন হলেও বিদ্যমান হিমাগারগুলোতে মাত্র ৪৫ লাখ টন রাখা সম্ভব হয়। পর্যাপ্ত সংরক্ষণের অভাবে প্রতি বছর উৎপাদিত আলুর প্রায় ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। এই বাস্তবতায় সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য আরও চার হাজার বিশেষ যন্ত্র কেনার প্রস্তুতিও চলমান রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















