ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধস: চার মাসে আয় কমেছে ১১ শতাংশ

ইউরোপের পর এবার বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রেও রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ কমেছে। রপ্তানিকারকদের মতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত শুল্কনীতির প্রভাবে এই নেতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ওটেক্সার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধু এপ্রিল মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ। এ সময় রপ্তানি হওয়া পোশাকের পরিমাণ এবং ইউনিটপ্রতি দর—উভয় ক্ষেত্রেই পতন লক্ষ করা গেছে। মার্কিন ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় দেশটিতে সামগ্রিকভাবে পোশাক আমদানি ১২ শতাংশ কমলেও প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান বেশি নাজুক হয়ে পড়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশের রপ্তানি যখন কমছে, তখন ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলো মার্কিন বাজারে তাদের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে কম্বোডিয়া ১৪ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তবে চীন ও ভারত থেকে মার্কিন অর্ডার কমে আসা বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ২০২৬ বিশ্বকাপ: ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধস: চার মাসে আয় কমেছে ১১ শতাংশ

আপডেট সময় : ০১:০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ইউরোপের পর এবার বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রেও রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ কমেছে। রপ্তানিকারকদের মতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত শুল্কনীতির প্রভাবে এই নেতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ওটেক্সার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধু এপ্রিল মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে ১৭ দশমিক ২১ শতাংশ। এ সময় রপ্তানি হওয়া পোশাকের পরিমাণ এবং ইউনিটপ্রতি দর—উভয় ক্ষেত্রেই পতন লক্ষ করা গেছে। মার্কিন ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় দেশটিতে সামগ্রিকভাবে পোশাক আমদানি ১২ শতাংশ কমলেও প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান বেশি নাজুক হয়ে পড়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশের রপ্তানি যখন কমছে, তখন ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলো মার্কিন বাজারে তাদের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে কম্বোডিয়া ১৪ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তবে চীন ও ভারত থেকে মার্কিন অর্ডার কমে আসা বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।