শিক্ষার্থীদের রাতে ঘোরাঘুরি প্রসঙ্গে তার সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে স্পষ্টীকরণ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তার নির্দেশনা কেবল তার নির্বাচনী এলাকা কচুয়ার জন্য দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো জাতীয় ঘোষণা নয়। মন্ত্রী তার ছাত্রজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখন আমরা সন্ধ্যার পরে পড়ার টেবিলে বসতাম। আমরা এটা শিখে এসেছি।’
বুধবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জুনিয়র বৃত্তির ফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি বহুবার, হয়তো হাজারবার বলেছি আমার কচুয়া নির্বাচনি এলাকায় যদি আমি নির্বাচিত হই, তাহলে ১২ তারিখের পর মাদক বন্ধ হতে হবে, ইভটিজিং বন্ধ হতে হবে, সন্ত্রাস বন্ধ হতে হবে। সারারাত রাস্তাঘাটে ঘোরাফেরা করাও বন্ধ হতে হবে। এটা আমি বারবার বলে আসছি এবং এখনো বলছি।’
ড. এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি কচুয়া উপজেলায় প্রশাসনকে ডেকে বলেছেন, ‘ওসি সাহেব, বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে জটিল হতে পারে। তবে কচুয়ার অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে যদি কেউ রাস্তায় ঘোরাফেরা করে, তাহলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন এবং অভিভাবকদের জানাবেন। এটি আমার নির্বাচনি এলাকার কমিটমেন্ট।’
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে কী হবে সে ঘোষণা আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেইনি। এটি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে কোনো জাতীয় ঘোষণা নয়; এটি আমার এমপি হিসেবে নির্বাচনির এলাকার জন্য দেওয়া কমিটমেন্ট, কচুয়ার জন্য। এ বিষয়ে আমি কোনো জাতীয় কমিটমেন্ট করিনি বা প্রেস কনফারেন্সে তেমন কিছু বলিনি।’ এর মাধ্যমে তিনি তার বক্তব্যকে একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার জন্য প্রযোজ্য বলে সীমাবদ্ধ করে দেন।
রিপোর্টারের নাম 






















