দেশে গ্যাসের তীব্র সংকট এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুতের ঘন ঘন বিভ্রাটের প্রভাবে বাংলাদেশের শিল্প খাত বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছে। এর ফলে একদিকে যেমন কলকারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বাজারে দেশীয় পণ্যের মূল সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। একই সাথে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন এবং কাঙ্ক্ষিত বৈচিত্র্যময় বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ।
প্রথিতযশা ব্যবসায়ীরা বলছেন, জাতীয় পর্যায়ে নির্ভরযোগ্য ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ সুনিশ্চিত করা সম্ভব না হলে আগামী দিনে দেশের শিল্পায়নের স্বাভাবিক গতি ধরে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। অন্যদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে অনাকাঙ্ক্ষিত অবহেলা এবং অতিরিক্ত আমদানিনির্ভর নীতি গ্রহণ করার ফলেই আজকের এই বৈশ্বিক ও জাতীয় সংকটের অবতারণা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, দ্রুত দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা ধাপে ধাপে দক্ষ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার এক বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত পাঁচ তারকা হোটেলে দেশের শীর্ষ জাতীয় অর্থনীতিক পত্রিকা ‘দৈনিক বণিক বার্তা’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রূপান্তর’ শীর্ষক এক জাতীয় নীতি সংলাপে (Policy Conclave) এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গভীরভাবে উঠে আসে। অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতনামা ব্যবসায়ী, সফল শিল্পোদ্যোক্তা, শীর্ষ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
শিল্পপতি ও ব্যাংকিং খাতের উদ্বেগ ও পর্যালোচনা: অনুষ্ঠানে বর্তমান শিল্প খাতের বাস্তব ও করুণ সংকটের চিত্র তুলে ধরে ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী বলেন, মূল জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত অনিশ্চয়তা বহাল থাকলে কোনো দূরদর্শী বিনিয়োগকারীই দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করতে পারেন না। সরকারি নীতিমালার স্পষ্ট স্বচ্ছতা ও পূর্বাভাসযোগ্যতা না থাকায় বর্তমানে দেশীয় শিল্প উৎপাদন ও সার্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (Supply Chain) ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সোলার খাতের বিদ্যমান শুল্কনীতিতেও বড় ধরনের অসংগতি রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।
মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, দেশের ভবিষ্যতের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং বিপজ্জনক আমদানিনির্ভরতা অনেকাংশে কমাতে নিজস্ব দেশীয় কয়লা উত্তোলনে আর বিন্দুমাত্র দেরি করা উচিত নয়। দেশের নিজস্ব গচ্ছিত কয়লা সঠিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হলে জাতীয় বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমবে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের মোট ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সার্বিক সরবরাহ আরও বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য হবে। একই সাথে তিনি দেশের অনশোর ও অফশোর—উভয় অঞ্চলে খনিজসম্পদ অনুসন্ধানে দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জোর আহ্বান জানান।
ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে জানান, শিল্পের জন্য এখন মূল সমস্যা শুধু গ্যাসের ঘাটতিই নয়, বরং মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চরম অভাব। লাইনে ভোল্টেজের তীব্র ওঠানামা এবং আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্বাভাবিক উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সংবেদনশীল ওষুধশিল্পে মাত্র কয়েক মিনিটের অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটেও কোটি কোটি টাকার উৎপাদিত ওষুধের ব্যাচ চিরতরে বাতিল হয়ে যেতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে ব্যাকআপ জেনারেটর ও ইউপিএসের পেছনে অতিরিক্ত বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করতে হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে বিদেশি ক্রেতার ওপর চাপানো সম্ভব হয় না। এতে তাঁদের ব্যবসায়িক ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।
ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, জ্বালানি সরবরাহের শতভাগ নিশ্চয়তা ছাড়া দেশে কখনোই বড় কোনো বৈদেশিক বা স্থানীয় বিনিয়োগ আসবে না। স্থানীয় মূল উদ্যোক্তারা ঠিক কী প্রতিকূল পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করার আগে প্রথম সেটিই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। দেশের বিদ্যমান শিল্পই যদি কেবল গ্যাসের তীব্র অভাবে টিকে থাকতে না পারে, তবে নতুন বিনিয়োগ স্বাভাবিকভাবেই নিরুৎসাহিত হবে। তিনি দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বড় প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারি অব্যবহৃত জমি দ্রুত বরাদ্দের জোর দাবি জানান।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম মাহবুবুল আলম বলেন, দেশীয় শিল্পখাতে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ধারাবাহিকভাবে বাড়ালে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে। এই লক্ষ্যপূরণে ওয়ালটন ইতোমধ্যে তাদের নিজস্ব কারখানায় ২২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে এবং আরও ৫০ মেগাওয়াটের একটি পরিবেশবান্ধব প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করছে।
দেশের ব্যাংকিং খাতের ভয়াবহ ঝুঁকি তুলে ধরে ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান জামান চৌধুরী বলেন, কেবল মাত্র গ্যাস সংকটের কারণে ট্রাস্ট ব্যাংকেরই প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকার বিপুল বিনিয়োগ আটকে আছে। দেশের বহু উদ্যোক্তা সরকারি গ্যাস সংযোগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়ে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে কারখানা নির্মাণ করলেও, পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় গ্যাস না পাওয়ায় বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করতে পারেননি। ফলে বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকায় আমদানি করা দামি যন্ত্রপাতি অলস পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান যদি খেলাপি হয়ে পড়ে, তবে তার নেতিবাচক প্রভাবে পুরো জাতীয় ব্যাংকিং খাতই চরম ঝুঁকিতে পড়বে।
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বলেন, এলএনজি আমদানির বৈশ্বিক উৎস বহুমুখী করা, দ্রুত স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ, নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা এবং জ্বালানি খাতে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর আর কোনো বিকল্প নেই।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এনামুল হক জানান, সরকারি নীতিগত ধারাবাহিকতা ও দীর্ঘমেয়াদি সুলভ অর্থায়ন সুনিশ্চিত করা গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আধুনিক অবকাঠামো খাতে বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাংলাদেশে আরও বহুগুণ বাড়বে।
বিশেষজ্ঞ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতামত: ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম মূল আলোচনায় বলেন, প্রায় দীর্ঘ দুই দশক ধরে আমাদের দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে মারাত্মক উদাসীনতা ও অবহেলা ছিল। এখন আধুনিক সর্বাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে অনশোর ও অফশোর– দুই ক্ষেত্রেই অনুসন্ধান সর্বাত্মক জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের খনিজ কয়লার ব্যবহার বাড়িয়ে গ্যাসের ওপর সৃষ্টি হওয়া অতিরিক্ত চাপ কমানোর বিশেষ পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ উপাত্ত তুলে ধরে জানান, স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ২ হাজার ৬৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে আশঙ্কাজনকভাবে কমে বর্তমানে মাত্র ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। তাই অনুসন্ধান কার্যক্রম অভূতপূর্ব ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি উচ্চ ব্যয়বহুল পুরনো বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধীরে ধীরে অবসায়নের (Phase-out) পরিকল্পনা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব আশার কথা শুনিয়ে বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন দ্রুত বাড়াতে ইতোমধ্যে সর্বমোট ১০০টি নতুন কূপে খননের এক বিস্তৃত পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ৫০টি কূপে নতুন খনন ও ওয়ার্কওভারের কাজ পুরোদমে চলছে। অনশোর ও অফশোর আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ডেও শীর্ষ আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর বক্তব্য ও সরকারি পরিকল্পনা: অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ একটি চমকপ্রদ নীতিনির্ধারণী ঘোষণা দিয়ে জানান, বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ বিতরণে সরাসরি যুক্ত থাকা সর্বমোট ৬টি সরকারি কোম্পানিকে ধাপে ধাপে সরকারি হাত থেকে পুরোপুরি বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করার বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে তাঁর নীতিগত সম্মতি প্রদান করেছেন। নতুন এই রূপরেখা অনুযায়ী সরকার কেবল মূল বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পাইকারি সরবরাহের দায়িত্বে থাকবে; আর বিতরণ ব্যবস্থা সরাসরি দক্ষ বেসরকারি খাতে চলে গেলে গ্রাহক সেবার গুণগত মান, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং শতভাগ বিল আদায় বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।
মন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে আরও বলেন, দেশে প্রায় ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় সক্ষমতা গড়ে তোলা হলেও, তার বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক গ্যাসের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়নি। খুলনা অঞ্চলে গ্যাসভিত্তিক আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সম্পন্ন করা হলেও, দীর্ঘ ভোলার গ্যাস রূপান্তরে ভোলা-বরিশাল-খুলনা পাইপলাইন না থাকায় সেই বিশাল কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে কার্যত সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে আছে। মূলত বছরের পর বছর ধরে নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো কার্যকর রূপরেখা বা উদ্যোগ না নেওয়ার ফলেই আজ পুরো দেশ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে বিদ্যমান দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটিতে সম্প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় জাতীয় গ্যাস সরবরাহে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন শিল্প ও আবাসিক এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও বাসাবাড়িতে নিয়মিত সরবরাহ চরম ব্যাহত হচ্ছে, এমনকি কোনো কোনো এলাকায় চরম অতিষ্ঠ মানুষ সড়ক অবরোধ পর্যন্ত করছে।
জ্বালানি মন্ত্রী বিস্তারিত জানান, আন্তর্জাতিক খোলা বাজারে চরম উচ্চমূল্যে এলএনজি আমদানি করা এবং বিগত সরকারের আমলে রেখে যাওয়া প্রায় ৬৭ হাজার কোটি টাকার বিশাল পরিমাণের বকেয়া বিলের বোঝা বর্তমান নতুন সরকারের ওপর ভয়াবহ চাপ তৈরি করেছে। এই জরুরি জটিল পরিস্থিতি দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি বিশেষ কমিটি ইতোমধ্যে কাজ করছে।
পরিশেষে তিনি দৃঢ়তার সাথে জানান, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মেয়াদের মধ্যেই মোট ১০ হাজার মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশেষ জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে বিভিন্ন শিল্প ক্লাস্টারভিত্তিক রুফটপ সোলার (Rooftop Solar) প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বাণিজ্যিক সৌর প্যানেল স্থাপনকারীদের বিশেষ কর-রেয়াত (Tax Rebate) দেওয়ার প্রশাসনিক পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে আগামী আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই দেশে বড় আকারের পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আন্তর্জাতিক দরপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান করা হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 























