ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

৬ বছর বয়সে এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের, ১৮ হলেই সরাসরি ভোটার

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৬ বছর বয়সী কোমলমতি শিশুদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নিবন্ধনের আওতায় এনে কার্ড দেওয়ার এক দূরদর্শী পরিকল্পনা করছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই প্রক্রিয়ায় নিবন্ধিত শিশুরা পরবর্তীতে বয়স ১৮ বছর পূর্ণ করা মাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ঢাকা মেইল এই গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া বা ৬ বছর বয়সী শিশুদের শুরুতেই এনআইডির আওতায় আনা গেলে বয়স কিংবা নাগরিক তথ্য গোপন করে অনৈতিকভাবে ভোটার হওয়ার যে প্রবণতা সমাজে রয়েছে, তা অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি পরবর্তীতে এনআইডির ভুল সংশোধনের বিশাল ঝামেলা ও হারও বহুলাংশে কমে আসবে। কারণ, জীবনের শুরু থেকেই একজন শিশু যদি সঠিক এনআইডি নম্বর ও তথ্য ব্যবহার করে সব ধরনের নাগরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে ভবিষ্যতে তথ্যে কোনো ভুল বা গরমিল হওয়ার সুযোগ থাকে না।

ছোট শিশুরা বয়সের সাথে সাথে বড় হলে তাদের চেহারায় স্বাভাবিকভাবে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। সে ক্ষেত্রে কমিশন কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সূত্র জানায়, বিদ্যমান আইনে এমনিতেই প্রতি ১৫ বছর পর পর নাগরিকদের এনআইডির ছবি এবং নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য হালনাগাদ বা আপডেট করার সুনির্দিষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। শিশুদের এনআইডি চালুর ক্ষেত্রেও ঠিক একই নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

সংবেদনশীল এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা জানান, ৬ বছর বয়সীদের এনআইডি প্রদানের বিষয়টি বর্তমানে কেবল প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে পুরো সারাদেশকে একটি স্থায়ী একক পরিচয়ের আওতায় নিয়ে আসাই নির্বাচন কমিশনের মূল লক্ষ্য।

অন্য দিকে, জাতীয় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ও ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী ৬ বছর বয়স থেকে পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধনের পর থেকেই একজন মানুষের জন্য একটি স্থায়ী আজীবন পরিচয় (Lifelong Identity) সুনিশ্চিত করার যে মূল ধারণা, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসাযোগ্য। শৈশব থেকেই একজন নাগরিকের সুনির্দিষ্ট পরিচয় নম্বর থাকলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি সকল নাগরিক সেবা পাওয়া অনেক বেশি সহজ ও ঝামেলামুক্ত হবে। বস্তুত নির্বাচন কমিশনের এনআইডি কাঠামোর প্রাথমিক লক্ষ্যই ছিল জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন নাগরিকের একই একক পরিচয় বহাল রাখা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা ৬ বছর বয়সী শিশুদের এনআইডি নিবন্ধনের আওতায় আনতে কিছু প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ থাকলেও তা দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা সম্ভব। বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই বিপুলসংখ্যক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের আন্তর্জাতিক মানের এনআইডি সফলভাবে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছেও সারা দেশের কোটি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক তথ্যভান্ডার গচ্ছিত রয়েছে। ফলে স্কুলভিত্তিক এই বিশেষ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করা খুব বেশি কঠিন হবে না।

তবে ছোট শিশুদের পূর্ণাঙ্গ বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ বা আইরিশ) তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক সীমানার কথা মনে করিয়ে দিয়ে জেসমিন টুলী বলেন, একজন মানুষের বায়োমেট্রিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি পরিপক্ব হতে সাধারণত ১৫ থেকে ১৬ বছর সময় লেগে যায়। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে ৬ বছর বয়সী শিশুদের কেবল মৌলিক তথ্য ও ছবি সংরক্ষণ করে কার্ড দেওয়া যেতে পারে। পরবর্তীতে উপযুক্ত বয়স হলে তাদের পূর্ণাঙ্গ বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে মাঠ পর্যায়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও সুনির্দিষ্ট পথনকশা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করে বা অসম্পূর্ণভাবে এই কার্যক্রম শুরু করলে তা ইতিবাচক ফল দেবে না। বরং ধাপে ধাপে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করে সুপরিকল্পিতভাবে এগোলে এটি নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও সফল উদ্যোগ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ১৬ বছর বয়স থেকেই এনআইডি দেওয়ার লক্ষ্যে একটি আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়েছিল, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ (২০১৩ সালে সংশোধিত)-এর ধারা ৫ অনুযায়ী আবেদনের তারিখে যেসব সুনির্দিষ্ট প্রার্থীর বয়স ১৬ বা ১৭ বছর পূর্ণ হবে, তাদের অগ্রিম তথ্য নিয়ে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

সেই সময় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছিলেন, ১৬ বছর বয়স হলেই এনআইডির জন্য তথ্য সংগ্রহ করবে কমিশন এবং বয়স ১৮ হওয়া মাত্রই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটাধিকার পাবে। তরুণদের এনআইডির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ইসি সচিব বলেছিলেন, বর্তমানে তরুণদের অনেক কাজেই এনআইডি প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষায় বিদেশে যাত্রা, ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা কিংবা চিকিৎসার জন্য পাসপোর্ট করার কাজে এনআইডি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের মোট ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

জমি দখল, ঘুষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীদের নিয়ে অনৈতিক কাজের গোপন তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা

৬ বছর বয়সে এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের, ১৮ হলেই সরাসরি ভোটার

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৬ বছর বয়সী কোমলমতি শিশুদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নিবন্ধনের আওতায় এনে কার্ড দেওয়ার এক দূরদর্শী পরিকল্পনা করছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই প্রক্রিয়ায় নিবন্ধিত শিশুরা পরবর্তীতে বয়স ১৮ বছর পূর্ণ করা মাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ঢাকা মেইল এই গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া বা ৬ বছর বয়সী শিশুদের শুরুতেই এনআইডির আওতায় আনা গেলে বয়স কিংবা নাগরিক তথ্য গোপন করে অনৈতিকভাবে ভোটার হওয়ার যে প্রবণতা সমাজে রয়েছে, তা অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি পরবর্তীতে এনআইডির ভুল সংশোধনের বিশাল ঝামেলা ও হারও বহুলাংশে কমে আসবে। কারণ, জীবনের শুরু থেকেই একজন শিশু যদি সঠিক এনআইডি নম্বর ও তথ্য ব্যবহার করে সব ধরনের নাগরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে ভবিষ্যতে তথ্যে কোনো ভুল বা গরমিল হওয়ার সুযোগ থাকে না।

ছোট শিশুরা বয়সের সাথে সাথে বড় হলে তাদের চেহারায় স্বাভাবিকভাবে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। সে ক্ষেত্রে কমিশন কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সূত্র জানায়, বিদ্যমান আইনে এমনিতেই প্রতি ১৫ বছর পর পর নাগরিকদের এনআইডির ছবি এবং নতুন বায়োমেট্রিক তথ্য হালনাগাদ বা আপডেট করার সুনির্দিষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। শিশুদের এনআইডি চালুর ক্ষেত্রেও ঠিক একই নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

সংবেদনশীল এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা জানান, ৬ বছর বয়সীদের এনআইডি প্রদানের বিষয়টি বর্তমানে কেবল প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে পুরো সারাদেশকে একটি স্থায়ী একক পরিচয়ের আওতায় নিয়ে আসাই নির্বাচন কমিশনের মূল লক্ষ্য।

অন্য দিকে, জাতীয় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ও ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী ৬ বছর বয়স থেকে পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধনের পর থেকেই একজন মানুষের জন্য একটি স্থায়ী আজীবন পরিচয় (Lifelong Identity) সুনিশ্চিত করার যে মূল ধারণা, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসাযোগ্য। শৈশব থেকেই একজন নাগরিকের সুনির্দিষ্ট পরিচয় নম্বর থাকলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি সকল নাগরিক সেবা পাওয়া অনেক বেশি সহজ ও ঝামেলামুক্ত হবে। বস্তুত নির্বাচন কমিশনের এনআইডি কাঠামোর প্রাথমিক লক্ষ্যই ছিল জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন নাগরিকের একই একক পরিচয় বহাল রাখা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা ৬ বছর বয়সী শিশুদের এনআইডি নিবন্ধনের আওতায় আনতে কিছু প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ থাকলেও তা দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা সম্ভব। বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই বিপুলসংখ্যক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের আন্তর্জাতিক মানের এনআইডি সফলভাবে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছেও সারা দেশের কোটি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক তথ্যভান্ডার গচ্ছিত রয়েছে। ফলে স্কুলভিত্তিক এই বিশেষ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করা খুব বেশি কঠিন হবে না।

তবে ছোট শিশুদের পূর্ণাঙ্গ বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ বা আইরিশ) তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক সীমানার কথা মনে করিয়ে দিয়ে জেসমিন টুলী বলেন, একজন মানুষের বায়োমেট্রিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি পরিপক্ব হতে সাধারণত ১৫ থেকে ১৬ বছর সময় লেগে যায়। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে ৬ বছর বয়সী শিশুদের কেবল মৌলিক তথ্য ও ছবি সংরক্ষণ করে কার্ড দেওয়া যেতে পারে। পরবর্তীতে উপযুক্ত বয়স হলে তাদের পূর্ণাঙ্গ বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে মাঠ পর্যায়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও সুনির্দিষ্ট পথনকশা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করে বা অসম্পূর্ণভাবে এই কার্যক্রম শুরু করলে তা ইতিবাচক ফল দেবে না। বরং ধাপে ধাপে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করে সুপরিকল্পিতভাবে এগোলে এটি নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও সফল উদ্যোগ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ১৬ বছর বয়স থেকেই এনআইডি দেওয়ার লক্ষ্যে একটি আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়েছিল, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ (২০১৩ সালে সংশোধিত)-এর ধারা ৫ অনুযায়ী আবেদনের তারিখে যেসব সুনির্দিষ্ট প্রার্থীর বয়স ১৬ বা ১৭ বছর পূর্ণ হবে, তাদের অগ্রিম তথ্য নিয়ে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

সেই সময় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছিলেন, ১৬ বছর বয়স হলেই এনআইডির জন্য তথ্য সংগ্রহ করবে কমিশন এবং বয়স ১৮ হওয়া মাত্রই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটাধিকার পাবে। তরুণদের এনআইডির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ইসি সচিব বলেছিলেন, বর্তমানে তরুণদের অনেক কাজেই এনআইডি প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষায় বিদেশে যাত্রা, ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা কিংবা চিকিৎসার জন্য পাসপোর্ট করার কাজে এনআইডি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের মোট ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।