ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ দুই মাসের সংকট কাটিয়ে অবশেষে পৌঁছেছে জলাতঙ্ক নিরোধক ‘র্যাবিস ভ্যাকসিন’। প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে ৫০ ভায়াল টিকা সংগ্রহের মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত তিন থেকে চার মাস ধরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক নিরোধক টিকার তীব্র সংকট চলছিল। কুকুরে কামড়ানো রোগীরা জীবনরক্ষাকারী এই ভ্যাকসিনের জন্য হাসপাতালে এসে বারবার ফিরে গেছেন। সরকারি পর্যায়ে সরবরাহ না থাকায় দরিদ্র রোগীদের ঝিনাইদহ সদর কিংবা যশোরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে গিয়ে চড়া দামে এই টিকা সংগ্রহ করতে হতো। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে উপজেলা পরিষদ থেকে র্যাবিস ভ্যাকসিন কেনার জন্য দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সেই বরাদ্দকৃত অর্থের কোনো হদিস মিলছিল না এবং হাসপাতালের জন্য কোনো ভ্যাকসিনও কেনা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে স্থানীয় প্রশাসনের টনক নড়ে।
গণমাধ্যমে সংকটের খবরটি উঠে আসার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তৎপর হয়। প্রশাসনিক তদারকির মাধ্যমে অবশেষে সেই বরাদ্দের সমন্বয় ঘটিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ৫০ ভায়াল ভ্যাকসিন কেনা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর হাসপাতালে টিকার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এখন থেকে নিয়মিত এই সেবা বজায় থাকবে এবং সাধারণ মানুষকে আর দূর-দূরান্তে ছুটতে হবে না।
রিপোর্টারের নাম 
























