জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত ইফতার মাহফিলের মঞ্চ ব্যবহার করে বিতর্কিত ভিডিও তৈরির অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ইফতার শেষে নামাজে যাওয়ার বিরতিতে ফাঁকা মঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ (জকসু) এর ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত সাংস্কৃতিক সম্পাদক তাকরিম আহমেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে মো. রিয়াজুল ইসলাম এই প্রতিবাদ জানান।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বিজ্ঞান অনুষদের মাঠে একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মাহফিলটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আলোকসজ্জাসহ মাঠটি নানাবিধ সজ্জায় সজ্জিত করা হয়।
তিনি জানান, ইফতার মাহফিল শেষ হওয়ার পর সকল সাধারণ শিক্ষার্থী এবং দায়িত্বশীলবৃন্দ নামাজের জন্য মসজিদে চলে যান। ওই সময় প্যান্ডেল, আলোকসজ্জাসহ ব্যানারটি সরানো হয়নি। এই সুযোগে স্টেজ ফাঁকা পেয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে বিজয়ী সাংস্কৃতিক সম্পাদক তাকরিম আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল স্টেজে উঠে বিতর্কিত ভিডিও তৈরি করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি ইতোমধ্যে দেশব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, অনেকেই এই ঘটনাটিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজিত প্রোগ্রাম বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ছাত্রদল সমর্থিত সাংস্কৃতিক সম্পাদকের এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।”
তিনি দেশের সচেতন মহল ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কখনোই নৈতিকতা-বিবর্জিত বা আদর্শ বহির্ভূত কোনো কাজের সাথে যুক্ত নয়। সংগঠনকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে চালানো এ ধরনের ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ডের আমরা আবারও তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।”
রিপোর্টারের নাম 

























