সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন সমীকরণের ম্যাচে চেন্নাইয়ের মাঠে জিম্বাবুয়েকে ৭২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। রানের পাহাড় গড়ে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়েছে টিম ইন্ডিয়া। এই জয়ের ফলে শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রাখল তারা, অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো জিম্বাবুয়ের।
টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে এদিন ভারতের ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন দেখা যায়। অভিষেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসন দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। এরপর ইশান কিষানকে সঙ্গে নিয়ে ৪২ বলে ৭২ রানের ঝোড়ো জুটি গড়েন অভিষেক। অভিষেক ৩০ বলে ৫৫ এবং ইশান ২৪ বলে ৩৮ রান করে আউট হন। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ৩৩ রান। তবে ইনিংসের শেষভাগে তিলক ভার্মা ও হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাটিং তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ের বোলাররা। এই দুজন মাত্র ৩১ বলে অবিচ্ছিন্ন ৮৪ রানের জুটি গড়েন। হার্দিক ২৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন এবং তিলক ১৬ বলে খেলেন ৪৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। ভারতের ইনিংসে সব মিলিয়ে ১৭টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ব্যাটাররা।
২৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের হয়ে একাই লড়াই করেন ব্রায়ান বেনেট। ৫৯ বলে ৯৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেললেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। সিকান্দার রাজার সঙ্গে তার ৭২ রানের জুটিটি ভাঙেন আর্শদীপ সিং। জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ পর্যন্ত ১৮৪ রানে থামলে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় ভারতের। ভারতের পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ২৪ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করেন আর্শদীপ সিং। অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন হার্দিক পান্ডিয়া।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ২০ ওভারে ২৫৬/৪ (অভিষেক ৫৫, পান্ডিয়া ৫০, তিলক ৪৪; রাজা ১/২৯, মুজারাবানি ১/৪৩)।
জিম্বাবুয়ে: ২০ ওভারে ১৮৪/৬ (বেনেট ৯৭, রাজা ৩১; আর্শদীপ ৩/২৪, অক্ষর ১/৩৫)।
ফল: ভারত ৭২ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: হার্দিক পান্ডিয়া।
রিপোর্টারের নাম 





















