আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি এবং দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন। বৈঠক শেষে রাতে যমুনার সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, “সারা দেশে বর্তমানে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে। প্রধান উপদেষ্টা লক্ষ্য করেছেন যে, প্রার্থীরা তাঁদের প্রচারণায় একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার কটু কথা বলছেন না। কোনো অভদ্র আচরণ বা অশালীন বক্তব্য দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য একটি খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন।”
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন: শান্তিপূর্ণ প্রচারণায় প্রধান উপদেষ্টার সন্তোষ
‘কেউ কারো বিরুদ্ধে কটু কথা বলছেন না, এটি আমাদের রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন’
মেটা বর্ণনা: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, প্রধান উপদেষ্টা দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ প্রচারণার পরিবেশের প্রশংসা করেছেন।
এসইও ট্যাগ: ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ২০২৬, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রস্তুতি, যমুনা বৈঠক ৭ ফেব্রুয়ারি, শফিকুল আলম প্রেস ব্রিফিং, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচারণা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি এবং দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন। বৈঠক শেষে রাতে যমুনার সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, “সারা দেশে বর্তমানে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে। প্রধান উপদেষ্টা লক্ষ্য করেছেন যে, প্রার্থীরা তাঁদের প্রচারণায় একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার কটু কথা বলছেন না। কোনো অভদ্র আচরণ বা অশালীন বক্তব্য দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য একটি খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন।”
নির্বাচন প্রস্তুতির মূল তথ্যসমূহ: বৈঠক শেষে প্রেস সচিব ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান ও প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন:
- মোট ভোটার: ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।
- ভোটকেন্দ্র: সারা দেশে মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে।
- নিরাপত্তা বাহিনী: নির্বাচনের নিরাপত্তায় প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ৮৮৫ জন সামরিক বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার এবং পুলিশ মিলিয়ে বিশাল এক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।
- পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক: নির্বাচনে প্রায় ৪০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং ১২০ জনের মতো বিদেশি সাংবাদিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রায় ৫০ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’ চালু করা হয়েছে, যা দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ব্যবহার করবেন। এছাড়া ১৬ হাজারেরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্য বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি আদর্শ উদাহরণ হয়ে থাকবে এবং ভোটাররা, বিশেষ করে নারী ও তরুণরা, উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
রিপোর্টারের নাম 

















