সংসদে উত্থাপিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন না হলে দেশব্যাপী তীব্র রাজপথের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল। গতকাল রাজধানীর এক বিশাল জনসভায় দলের শীর্ষ নেতা এই ঘোষণা দিয়ে সরকারের প্রতি দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
জনাকীর্ণ সমাবেশে বিরোধী দলের শীর্ষ নেতা বলেন, “জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠিত হলেও তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে আমরা সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু সরকার এসব প্রস্তাবকে ক্রমাগত উপেক্ষা করে চলেছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার গঠন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো দমনমূলক আইন বাতিলসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের দাবি আমরা জানিয়েছি। এগুলো যদি সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হয়, তবে আমাদের আর কোনো বিকল্প থাকবে না। জনগণের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হবো।”
বিরোধী দলের এই নেতা বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী। কিন্তু যখন আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যাবে, তখন রাজপথে নেমে আসা ছাড়া আর উপায় থাকবে না। জনগণের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে রক্ত দিতেও আমরা প্রস্তুত।” তিনি বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সর্বস্তরের জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরে সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন।
তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সংসদকে কার্যকর করতে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অবিলম্বে সংলাপের পথে আসতে হবে। অন্যথায়, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারকেই বহন করতে হবে।” বিরোধী দলের পক্ষ থেকে আগামী দিনগুলোতে ধারাবাহিক কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















