মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

লামায় বন্যহাতির তাণ্ডবে কৃষকের প্রাণহানি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় বন্যহাতির আকস্মিক আক্রমণে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ত্রিশডেবা ডলুঝিরি পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ক্যচিং মং মার্মা (৬০), তিনি বাচিং কারবারি পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের এবং নিহতের পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে ক্যচিং মং মার্মা তাঁর ধান ক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে যান। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাঁকে খুঁজতে বের হন। রাত প্রায় ৯টার দিকে, খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির লোকেরা ধান ক্ষেতের কাছে ক্যচিং মং মার্মাকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্ত্রী হ্লাচিং মার্মার ভাষ্যমতে, তাঁর স্বামী যখন ধান ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করছিলেন, তখন তিনি বন্যহাতির আক্রমণের শিকার হন। হাতির পদদলিত হয়েই ক্যচিং মং মার্মা গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানান, বন্যহাতির আক্রমণে ক্যচিং মং মার্মার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায়, ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং বন্যপ্রাণী-মানব সংঘাত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোটরযানে হুটার ও হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার নিয়ে কড়া সতর্কতা

লামায় বন্যহাতির তাণ্ডবে কৃষকের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ১০:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় বন্যহাতির আকস্মিক আক্রমণে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ত্রিশডেবা ডলুঝিরি পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ক্যচিং মং মার্মা (৬০), তিনি বাচিং কারবারি পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের এবং নিহতের পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে ক্যচিং মং মার্মা তাঁর ধান ক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে যান। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাঁকে খুঁজতে বের হন। রাত প্রায় ৯টার দিকে, খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির লোকেরা ধান ক্ষেতের কাছে ক্যচিং মং মার্মাকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্ত্রী হ্লাচিং মার্মার ভাষ্যমতে, তাঁর স্বামী যখন ধান ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করছিলেন, তখন তিনি বন্যহাতির আক্রমণের শিকার হন। হাতির পদদলিত হয়েই ক্যচিং মং মার্মা গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানান, বন্যহাতির আক্রমণে ক্যচিং মং মার্মার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায়, ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং বন্যপ্রাণী-মানব সংঘাত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে।