চাঁদপুরের কচুয়ায় চুরিতে বাধা দেওয়ায় কাতার প্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার ১৯ দিন পর মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রেহেনা বেগম (৫৫) নামের ওই নারী।
নিহত রেহেনা বেগম উপজেলার জগতপুর গ্রামের কাতার প্রবাসী বেলায়েত হোসেনের স্ত্রী। তার এক ছেলে স্বামীর সঙ্গে কাতারে থাকেন এবং মেয়ে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। ফলে গ্রামের বাড়িতে রেহেনা একাই বসবাস করতেন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে একই বাড়ির ১৫ বছর বয়সী আজহারুল ইসলাম সোহান এবং ১৪ বছর বয়সী রবিউল ইসলাম তার ঘরে প্রবেশ করে মোবাইল ও স্বর্ণালংকার চুরি করছিল। এ সময় রেহেনা বেগম তাদের দেখে বাধা দিলে সোহান ও রবিউল দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর তাকে বাড়িতে আনা হয় এবং ওষুধ সেবন চলছিল। তবে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
খবর পেয়ে কচুয়া থানা পুলিশ রেহেনার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেছে। কচুয়া থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুল হক জানান, এ ঘটনায় রেহেনা বেগমের পক্ষ থেকে গত ৭ ফেব্রুয়ারি কচুয়া থানায় ৪৫৭/৩৮২ ধারায় একটি মামলা (মামলা নং-০৬) দায়ের করা হয়েছিল। মামলার প্রধান আসামি আজহারুল ইসলাম সোহানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং বর্তমানে সে গাজীপুর শিশু-কিশোর সংশোধন সহায়তা কেন্দ্রে রয়েছে। অপর আসামি রবিউল ইসলাম আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। ওসি আরও জানান, চলমান মামলাটি আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























