চট্টগ্রামের হালিশহরে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। এই ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মঙ্গলবার রাতে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬) ও তার ভাবী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) মারা যান। তাদের দুজনের শরীরই শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগে, সোমবার দিবাগত রাতে নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর মঙ্গলবার সকালে ১৬ বছর বয়সী সাফায়াত হোসেন শাওন এবং দুপুরে সামির আহমেদ সুমন (৪০) মারা যান।
নিহতদের মধ্যে নুরজাহান আক্তার ছিলেন শাওনের মা। আর সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন তার বাবা এবং সামির আহমেদ সুমন তার চাচা। আশুরা আক্তার পাখি ছিলেন সামির আহমেদ সুমনের স্ত্রী এবং সাখাওয়াতের ভাবী। এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত একই পরিবারের দুই ভাই, তাদের দুই স্ত্রী এবং এক শিশু সন্তানের মৃত্যু হলো।
গত সোমবার ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকে এসি মসজিদ সংলগ্ন ছয়তলা ভবন হালিমা মঞ্জিলের তৃতীয় তলায় এই ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন (১৬), মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা (১০), সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০), তার স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫), মেয়ে আয়েশা (৪), ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন (৩০)।
রিপোর্টারের নাম 
























