ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে মজুত পর্যাপ্ত: সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য ও নিত্যপণ্যের মজুত রয়েছে, তা বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য যথেষ্ট।

শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এই দায়িত্বের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় গুরুত্ব দিয়েছি। ইতিবাচক বিষয় হলো, আমাদের হাতে থাকা বর্তমান মজুত পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক, যা বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখবে।”

সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তার নির্বাচনি ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সিলেটের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আইটি খাতের প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সিলেটে একটি অত্যাধুনিক ‘এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলো ডিজিটাল প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের এআই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদেরও প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। পিছিয়ে থাকলে আমরা বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাব।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সিলেটে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক জটিলতা বা ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ কমিয়ে আনা হবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রদানের কাজ চলছে। খুব দ্রুতই এসব উদ্যোগের দৃশ্যমান ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আগামী পাঁচ বছর প্রতিটি দিনকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী এবং জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের নজিরবিহীন হামলা: ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বৃষ্টিতে রণক্ষেত্র আবুধাবি-দুবাই

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে মজুত পর্যাপ্ত: সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:১৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য ও নিত্যপণ্যের মজুত রয়েছে, তা বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য যথেষ্ট।

শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এই দায়িত্বের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় গুরুত্ব দিয়েছি। ইতিবাচক বিষয় হলো, আমাদের হাতে থাকা বর্তমান মজুত পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক, যা বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখবে।”

সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তার নির্বাচনি ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সিলেটের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আইটি খাতের প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সিলেটে একটি অত্যাধুনিক ‘এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলো ডিজিটাল প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের এআই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদেরও প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। পিছিয়ে থাকলে আমরা বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাব।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সিলেটে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক জটিলতা বা ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ কমিয়ে আনা হবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রদানের কাজ চলছে। খুব দ্রুতই এসব উদ্যোগের দৃশ্যমান ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আগামী পাঁচ বছর প্রতিটি দিনকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী এবং জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।