শত্রুপক্ষ বা প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে নজিরবিহীন ও কঠোর সামরিক শক্তি প্রয়োগের চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আমেরিকার স্বার্থে আঘাত হানলে বা কোনো ধরনের ধৃষ্টতা দেখালে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা বিশ্ব ইতিহাসে আগে কখনো দেখা যায়নি।
সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প তাঁর এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি দাবি করেন, তাঁর শাসনামলে বহির্বিশ্বের শত্রু রাষ্ট্রগুলো আমেরিকাকে সমীহ করে চলত। কিন্তু বর্তমান প্রশাসনের দুর্বল নীতির কারণে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং শত্রুরা মাথাচারা দিয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। বিদেশি কোনো শক্তির নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও, তাঁর এই বার্তা মূলত ইরানসহ মার্কিনবিরোধী বলয়ের দেশগুলোর প্রতি ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কোনো প্রেসিডেন্ট বা বর্তমান কোনো কর্মকর্তার ওপর আঘাতের চেষ্টা করা হলে তার পরিণাম হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি কোনো দেশ আমাদের কোনো ক্ষতি করার দুঃসাহস দেখায়, তবে আমরা তাদের এমনভাবে আঘাত করব যা আগে কেউ কখনো কল্পনাও করতে পারেনি। সেই দেশটিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হতে পারে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে ভোটারদের কাছে নিজেকে একজন শক্তিশালী ও আপসহীন নেতা হিসেবে তুলে ধরতেই ট্রাম্প এই ধরনের আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করছেন। বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা এবং বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিজের কঠোর অবস্থান জানান দিয়ে তিনি জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























