যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রবিবার সকাল থেকেই রাজধানী তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলো প্রতিবাদী মানুষের মিছিলে উত্তাল হয়ে ওঠে।
তেহরানের রেভল্যুশন স্কয়ার এবং তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়ে এই হামলার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিক্ষোভকারীরা ইরানের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। রাজধানী ছাড়াও মাশহাদ, কোম এবং তাবরিজের মতো বড় শহরগুলোতেও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
পবিত্র নগরী কোমে অবস্থিত হযরত মাসুমের (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান। অন্যদিকে, শোকের প্রতীক হিসেবে মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র রওজার গম্বুজে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পুরো ইরানে এখন এক শোকাতুর ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ইরানের সীমানা ছাড়িয়ে এই প্রতিবাদের ঢেউ পৌঁছেছে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও। ইরাকের বাগদাদ ও কারবালা শহরে বিপুল সংখ্যক মানুষ রাজপথে নেমে এই হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরেও খামেনি নিহতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















