ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সমরসজ্জা: একদিনেই মোতায়েন অর্ধশতাধিক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করল যুক্তরাষ্ট্র। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই এলাকায় ৫০টিরও বেশি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। জেনেভায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই মার্কিন এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

বিভিন্ন ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থার তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই বিশাল সামরিক বহর মোতায়েন প্রক্রিয়া শুরু হয়। মোতায়েনকৃত যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এফ-২২ র‍্যাপ্টর, এফ-৩৫ লাইটনিং টু এবং এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকনের মতো অত্যাধুনিক সব যুদ্ধবিমান। এছাড়া যুদ্ধবিমানগুলো যাতে দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে পারে, সেজন্য একাধিক রিফুয়েলার বা জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও এই বহরে যুক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত এক দিনেই অর্ধশতাধিক যুদ্ধবিমান ওই অঞ্চলে আনা হয়েছে। এর আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে বিমানবাহী রণতরীসহ শক্তিশালী নৌ-বহর মোতায়েন করে রেখেছিল পেন্টাগন। এবার আকাশপথে শক্তি বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল তারা।

মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সৃষ্ট টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন এই কঠোর বার্তা দিল। গত জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগের প্রতিবাদ এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিতেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদ ও মঙ্গলে দ্রুত অভিযানের জন্য নতুন রোভার পরীক্ষা করছে নাসা

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সমরসজ্জা: একদিনেই মোতায়েন অর্ধশতাধিক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করল যুক্তরাষ্ট্র। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই এলাকায় ৫০টিরও বেশি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। জেনেভায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই মার্কিন এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

বিভিন্ন ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থার তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই বিশাল সামরিক বহর মোতায়েন প্রক্রিয়া শুরু হয়। মোতায়েনকৃত যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এফ-২২ র‍্যাপ্টর, এফ-৩৫ লাইটনিং টু এবং এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকনের মতো অত্যাধুনিক সব যুদ্ধবিমান। এছাড়া যুদ্ধবিমানগুলো যাতে দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে পারে, সেজন্য একাধিক রিফুয়েলার বা জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও এই বহরে যুক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত এক দিনেই অর্ধশতাধিক যুদ্ধবিমান ওই অঞ্চলে আনা হয়েছে। এর আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে বিমানবাহী রণতরীসহ শক্তিশালী নৌ-বহর মোতায়েন করে রেখেছিল পেন্টাগন। এবার আকাশপথে শক্তি বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল তারা।

মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সৃষ্ট টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন এই কঠোর বার্তা দিল। গত জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগের প্রতিবাদ এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিতেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।