আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই সনদ’ সংক্রান্ত গণভোট পর্যবেক্ষণ করতে বিশাল এক বাহিনী মাঠে নামছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, নিবন্ধিত ৮১টি দেশি সংস্থার মোট ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে প্রায় ৫০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক ভোট পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে আসবেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনের প্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের নির্বাচনি প্রস্তুতি নিয়ে ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। অনুষ্ঠানে সিইসি ও অন্যান্য কমিশনারসহ উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা ও বিন্যাস:
নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী:
- দেশি পর্যবেক্ষক: ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থার ৫৫,৪৫৪ জন।
- বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক: প্রায় ৫০০ জন (এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দলটিতে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০০ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন)।
- আন্তর্জাতিক সংস্থা: ইতিমধ্যে কমনওয়েলথ থেকে ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-অ্যাডোর নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান:
ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন:
- অংশগ্রহণকারী দল: নিবন্ধিত ৫৯টি দলের মধ্যে ৫১টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
- মোট প্রার্থী: ১ হাজার ৯৯৪ জন (এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৫৬ জন)।
- ভোটের সময়: ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ টা থেকে বিকেল ৪:৩০ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
- নিরাপত্তা বাহিনী: অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিতে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৫০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভোটের পর সরাসরি সেখানেই ফল গণনা করা হবে এবং উপস্থিত এজেন্ট ও সাংবাদিকদের সামনে ফল ঘোষণা করা হবে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সুবিধার্থে বিমানবন্দরে হেল্প ডেস্ক এবং রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটি মিডিয়া সেল ও হেল্প ডেস্ক স্থাপন করবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, যেসব দেশ থেকে পর্যবেক্ষক আসবেন কিন্তু বাংলাদেশে তাদের কূটনৈতিক মিশন নেই, তাদের জন্য ‘ভিসা-অন-অ্যারাইভাল’ বা অন-অ্যারাইভাল ভিসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























