ঢাকা-১৪ আসনে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, মানবিক সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, দোয়া এবং আস্থা তার প্রধান চালিকাশক্তি। এই সমর্থনই তাকে সাহস যোগাচ্ছে।
শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে তিনি ঢাকা-১৪ আসনের ৭নং ওয়ার্ডের মিরপুর ও রূপনগর এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকাগুলোতে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় তিনি ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে তাদের সমর্থন জানানোর আহ্বান জানান।
গণসংযোগকালে তুলি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেমেছেন। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে তিনি সংসদে গিয়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও তার প্রতি আস্থা তাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। এই আসনের প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে চান তিনি।
এদিন তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের প্রয়াত সদস্য আরাফাত রহমান কোকোকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আজ একটি বেদনাদায়ক দিন, কারণ ১১ বছর আগে আমরা আমাদের প্রিয় আরাফাত রহমান কোকোকে হারিয়েছি। তিনি জিয়া পরিবারের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ভোটারদের সচেতনতামূলক বার্তা দিয়ে তুলি বলেন, আপনারা ফজরের নামাজ আদায় করে যত দ্রুত সম্ভব ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। এরপর কেন্দ্রগুলোতে নজর রাখুন। কোনো ধরনের অবৈধ অর্থ বা পেশিশক্তির প্রভাব যেন ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে না পারে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
গণসংযোগ কার্যক্রমে ঢাকা-১৪ আসন এলাকার বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন এবং প্রার্থীর প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, সানজিদা ইসলাম তুলির জনহিতকর কর্মকাণ্ড এবং দীর্ঘদিনের সামাজিক আন্দোলন তাকে সাধারণ মানুষের একজন আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এই বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা ঢাকা-১৪ আসনে এক নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে বলে স্থানীয় জনগণ মনে করছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























