ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়াকে সিটি করপোরেশন করার অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত হলে বগুড়াকে পূর্বের গৌরবোজ্জ্বল শিক্ষা ও সমৃদ্ধির নগরীতে রূপান্তরিত করা হবে। তিনি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শনিবার দুপুরে বগুড়ার আলফাতুন্নেসা মাঠে দশ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁর দল নিজেরা চাঁদাবাজি, অর্থ পাচার বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবে না, কাউকে এসব করতেও দেবে না। তিনি মাতৃজাতির সম্মানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। নারীরা যোগ্যতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে চাকরি করার সুযোগ পাবেন এবং সরকার তাঁদের সম্মান ও নিরাপত্তা প্রদানে সচেষ্ট থাকবে।

যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে জামায়াত আমিরের অঙ্গীকার, তারা বেকার ভাতা দিয়ে যুব সমাজকে পরনির্ভরশীল করতে চান না। বরং তাঁদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চান, যাতে তারা সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারে।

সমাবেশে তিনি উপস্থিত জনতাকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে এবং দশ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান। চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত এবং ন্যায়-ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি অনুরোধ করেন। তিনি জোটের সাতজন প্রার্থীকে জনগণের কাছে আমানত হিসেবে তুলে ধরে বলেন, তাঁদের বিজয়ী করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়াকে সিটি করপোরেশন করার অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় : ০২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত হলে বগুড়াকে পূর্বের গৌরবোজ্জ্বল শিক্ষা ও সমৃদ্ধির নগরীতে রূপান্তরিত করা হবে। তিনি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শনিবার দুপুরে বগুড়ার আলফাতুন্নেসা মাঠে দশ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁর দল নিজেরা চাঁদাবাজি, অর্থ পাচার বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবে না, কাউকে এসব করতেও দেবে না। তিনি মাতৃজাতির সম্মানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। নারীরা যোগ্যতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে চাকরি করার সুযোগ পাবেন এবং সরকার তাঁদের সম্মান ও নিরাপত্তা প্রদানে সচেষ্ট থাকবে।

যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে জামায়াত আমিরের অঙ্গীকার, তারা বেকার ভাতা দিয়ে যুব সমাজকে পরনির্ভরশীল করতে চান না। বরং তাঁদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চান, যাতে তারা সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারে।

সমাবেশে তিনি উপস্থিত জনতাকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে এবং দশ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান। চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত এবং ন্যায়-ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি অনুরোধ করেন। তিনি জোটের সাতজন প্রার্থীকে জনগণের কাছে আমানত হিসেবে তুলে ধরে বলেন, তাঁদের বিজয়ী করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।