ট্রান্সকম গ্রুপের ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার আত্মসাতের একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান ও তার মা শাহনাজ রহমান। গতকাল বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল, যার প্রায় দুই ঘণ্টা পরই তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
গতকাল সকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এই মামলার ছয় আসামির বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্র আমলে নেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত না থাকায় সিমিন রহমান, শাহনাজ রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রায় দুই ঘণ্টা পর সিমিন রহমান ও শাহনাজ রহমান কালো বোরকা পরিহিত অবস্থায়, মুখ ঢেকে আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পরোয়ানাভুক্ত আরেক আসামি হলেন ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক সামসুজ্জামান পাটোয়ারী।
মামলার অপর তিন আসামি ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক মো. কামরুল হাসান, মো. মোসাদ্দেক এবং আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের আইনজীবী স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। এই বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় এই মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত ১১ জানুয়ারি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পরিদর্শক সৈয়দ সাজেদুর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন, যেখানে সিমিন রহমানসহ মোট ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৩ জুন ঢাকায় অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিংয়ে তৃতীয় এজেন্ডার মাধ্যমে লতিফুর রহমানের ২৩ হাজার ৬০০টি শেয়ার হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে তার বড় মেয়ে সিমিন রহমানকে ১৪ হাজার ১৬০টি এবং ছেলে আরশাদ ওয়ালিউর রহমান ও ছোট মেয়ে শাযরেহ হককে ৪ হাজার ৭২০টি করে শেয়ার দেওয়া হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























